বাগেরহাটে পূবালী ব্যাংকের একটি লকার থেকে প্রায় ২০০ ভরি স্বর্ণালংকার খোয়া যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। সুমন কুমার দাস নামের এক গ্রাহক এ অভিযোগ করার পর বিষয়টি তদন্তে নেমেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও ব্যাংক কর্তৃপক্ষ।
বুধবার (৫ মার্চ) ব্যাংকের লকারে রাখা স্বর্ণালংকার না পাওয়ার অভিযোগ করেন সুমন কুমার দাস। এরপর ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত শুরু করা হয়। বৃহস্পতিবার (৬ মার্চ) দুপুরে বাগেরহাট জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মাদ হাচান চৌধুরী, পিবিআই পুলিশ সুপার মো. আল মামুনসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা পূবালী ব্যাংকের বাগেরহাট শাখা পরিদর্শন করেন। বিকেল পর্যন্ত কয়েক ঘণ্টা ধরে তারা বিভিন্ন বিষয় পর্যালোচনা করেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, ২০২৫ সালের ১৫ অক্টোবর বাগেরহাট শাখার পূবালী ব্যাংকের একটি লকারে সুমন কুমার দাস তার পরিবারের সদস্য ও আত্মীয়স্বজনদের স্বর্ণালংকার জমা রাখেন। মোট স্বর্ণালংকারের পরিমাণ ছিল আনুমানিক ২০০ ভরি। সম্প্রতি পারিবারিক একটি অনুষ্ঠান উপলক্ষে বুধবার ব্যাংকে গিয়ে লকার থেকে স্বর্ণালংকার নেওয়ার চেষ্টা করলে দেখা যায়, সেখানে কোনো স্বর্ণালংকার নেই।
এ ঘটনায় সুমন কুমার দাস ব্যাংক কর্তৃপক্ষ ও পুলিশ প্রশাসনকে বিষয়টি জানান। এরপরই ঘটনাটি তদন্তের উদ্যোগ নেওয়া হয়। সুমন বলেন, আত্মীয়স্বজনসহ আমাদের সবার স্বর্ণালংকার ছিল। খুবই সংকটে পড়ে গেলাম আমরা।
পূবালী ব্যাংকের সহকারী মহাব্যবস্থাপক (এজিএম) মনিরুল আমিন বলেন, গ্রাহকের অভিযোগ পাওয়ার পর বিষয়টি পুলিশ প্রশাসনকে জানানো হয়েছে। তদন্ত শেষে প্রকৃত ঘটনা বেরিয়ে আসবে।
বাগেরহাটের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) শামীম হোসেন বলেন, অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। তদন্ত শেষে কার দায় রয়েছে, তা স্পষ্ট হবে।
সিএ/এএ


