শুক্রবার (৫ ডিসেম্বর) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হক ও ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপদেষ্টা সালমান এফ রহমানের বিরুদ্ধে মামলা চলাকালীন তৃতীয় সাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি দিয়েছেন আদহাম বিন আমিন। তিনি ২০২৪ সালের জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় আন্দোলনে অংশ নেন এবং সেই সময়ে পায়ে গুলি লাগে।
আদহাম তখন মিরপুর ন্যাশনাল বাংলা হাইস্কুলের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিলেন। তিনি আদালতে জানান, ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই দুপুরে মিরপুর-১০ এলাকায় আন্দোলনে অংশ নেন। বিকেলে ১০ নম্বর গোলচত্বরের পাশে আল-বারাকাহ্ হোটেলের সামনে অবস্থান করার সময় গুলি লাগে। তিনি বলেন, “যারা আমাকে গুলি করেছে এবং পঙ্গু বানিয়েছে, তাদের বিচার চাই।”
আদহাম জবানবন্দিতে আরও উল্লেখ করেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জানতে পেরেছেন যে আনিসুল হক ও সালমান এফ রহমান পরস্পর ফোনালাপে কারফিউ দিয়ে আন্দোলন দমন করার নির্দেশ দিয়েছিলেন। তাঁদের সঙ্গে সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান, সাবেক সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের ও অন্যরা জড়িত ছিলেন। তিনি বলেন, আন্দোলন দমনে হত্যার পরিকল্পনা করা হয়েছিল।
মামলার বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বে ট্রাইব্যুনাল-১-এ এই মামলা চলমান। ট্রাইব্যুনালের অপর দুই সদস্য হলেন বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ ও বিচারক মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী। আসামি আনিসুল হক ও সালমান এফ রহমান বর্তমানে গ্রেপ্তার অবস্থায় কারাগারে রয়েছেন এবং ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়েছে।
সিএ/এমই


