নরসিংদীতে এক কিশোরীকে ‘দলবদ্ধ ধর্ষণের’ পর হত্যার অভিযোগ এবং দেশের বিভিন্ন স্থানে ধর্ষণ ও নিপীড়নের ঘটনার প্রতিবাদে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু)। শুক্রবার ( ৫ ডিসেম্বর) জুমার নামাজের পর বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ থেকে মিছিল বের হয়ে ভিসি চত্বর ঘুরে রাজু ভাস্কর্যে গিয়ে শেষ হয়।
মিছিলে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীরা ‘আছিয়া থেকে নন্দিনী, ধর্ষকদের ভুলিনি’, ‘ধর্ষক আর স্বৈরাচার, মিলেমিশে একাকার’সহ বিভিন্ন স্লোগান দেন। পরে রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে ডাকসুর নেতারা বক্তব্য দেন।
ডাকসুর সহসভাপতি (ভিপি) আবু সাদিক কায়েম বলেন, ‘আর কোনো মা–বোনদের ওপর যদি হামলা হয়, আমার মা–বোনদের যদি হেনস্তা করার হুমকি দেওয়া হয়, আর যদি কোনো ধর্ষণ হয়, ধর্ষণের পর যদি বিচার না হয়, তাহলে আমরা আবার রাজপথে নেমে গণপ্রতিরোধ গড়ে তুলব।’ তিনি বলেন, ‘আমরা দেখতে পেয়েছি, এই সরকার শপথ নেওয়ার পরে এই ১৩ দিনে দেশের নাগরিকদের জীবনের নিরাপত্তা দিতে পারেনি।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমরা সাবধান করছি, খুনি হাসিনা এবং তাঁর দোসরদের বিরুদ্ধে বর্তমান সরকারকে জিরো টলারেন্স নীতি ঘোষণা করতে হবে।’
সমাবেশে সরকারপ্রধানের উদ্দেশে ডাকসুর সাধারণ সম্পাদক (জিএস) এস এম ফরহাদ বলেন, ‘যদি ক্ষমতায় থাকতে চান, ভালোভাবে চালাতে চান; এখনই এই চাঁদাবাজ ও ধর্ষকদের বিরুদ্ধে সিরিয়াস হোন। ছাত্রদল থেকে শুরু করে স্থানীয় বিএনপি পর্যন্ত আপনার দলের প্রতিটা পর্যায়ের নেতারা চাঁদাবাজ এবং ধর্ষকদের যদি আশ্রয় দেয়, তাহলে রাজু ভাস্কর্য থেকে এই বিক্ষোভ একদম তৃণমূল পর্যায় পর্যন্ত পৌঁছাবে।’
সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন ডাকসুর সহসাধারণ সম্পাদক (এজিএস) মহিউদ্দিন খান, পরিবহন সম্পাদক আসিফ আবদুল্লাহ, স্বাস্থ্য ও পরিবেশবিষয়ক সম্পাদক আবদুল্লাহ আল মিনহাজ, ক্রীড়া সম্পাদক আরমান হোসেন, সমাজসেবা সম্পাদক এ বি জুবায়ের, মুক্তিযুদ্ধ ও গণতান্ত্রিক আন্দোলন–বিষয়ক সম্পাদক ফাতিমা তাসনিম জুমা, ক্যাফেটেরিয়া ও কমনরুম–বিষয়ক সম্পাদক উম্মে সালমা এবং কার্যনির্বাহী সদস্য রায়হান উদ্দিন।
সিএ/এমই


