নিউজিল্যান্ড সুপার এইটে ৬১ রানের বড় জয়ে শ্রীলঙ্কাকে হারিয়ে তাদের বিশ্বকাপের আশা শেষ করে দিয়েছে। প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচে নিউজিল্যান্ড ২০ ওভারে ১৬৮/৭ রান তুললে শ্রীলঙ্কা ২০ ওভারে মাত্র ১০৭/৮ রান তুলতে পারে। ঘরের মাঠে ব্যর্থতার কারণে শ্রীলঙ্কার সমর্থকদের শেষ পর্যন্ত মাঠ ছাড়তে হয়।
শুরুতে শ্রীলঙ্কার দিনটি ভালো চলার আশার কথা মনে হলেও শেষ পর্যন্ত তা হয়নি। সুপার এইটে ৮৬ রানে ৬ উইকেট হারানোর পর নিউজিল্যান্ড ৭ উইকেট হারিয়ে ১৬৯ রানের লক্ষ্য নির্ধারণ করে। শ্রীলঙ্কার ব্যাটসম্যানরা সেই লক্ষ্য পূরণে ব্যর্থ হয়। ২৩ বলে সর্বোচ্চ ৩১ রান করেন কামিন্দু মেন্ডিস এবং সমান বল খেলে ২৯ রান করেন দুনিত ভেল্লালাগে।
নিউজিল্যান্ডের জয় মূলত তাঁদের বোলিংয়ের কারণে সম্ভব হয়েছে। স্পিনার রাচিন রবীন্দ্র ৪ ওভারে ২৭ রান দিয়ে ৪ উইকেট নেন। এছাড়া মাত্র ২ ওভার করে ৩ রান খরচ করে ম্যাট হেনরিও দুটি উইকেট শিকার করেন। শ্রীলঙ্কার ব্যাটসম্যানরা রান তোলার গতি ধরে রাখতে পারেননি এবং শেষ পর্যন্ত ম্যাচ হারের মুখোমুখি হয়।
নিউজিল্যান্ডের ব্যাটসম্যানরাও শুরুতে চমক দেখাতে পারেননি। প্রথম ৩ ওভারে ৩০ রান তুলে ব্যাটিং ছন্দপতন ঘটে। ১৩ বলে ২৩ রান করা ফিন অ্যালেনকে মহিশ তিকসানা ফেরান। পাওয়ারপ্লের মধ্যে আরেক ওপেনার টিম সাইফার্টও আউট হন। ১০ ওভারের পরে রাচিন রবীন্দ্র, মার্ক চ্যাপম্যান ও ড্যারিল মিচেল আউট হয়ে দলের রান ৮৪-এ দাঁড়ায়।
কিন্তু শেষ ৪ ওভারে ঝড়ো ব্যাটিং করেন স্যান্টনার ও ম্যাকনকি। ২৪ বলের মধ্যে ১১টি বাউন্ডারি হাঁকিয়ে নিউজিল্যান্ড শেষ ৭৮ রান তুলে নেয়। স্যান্টনার ২৬ বলে ৪৭ রান করেন এবং ম্যাকনকি ২৩ বলে ৩১ রান সংগ্রহ করেন। দুজনের জুটির কারণে নিউজিল্যান্ড সহজ জয় অর্জন করে।
দুই ম্যাচ শেষে নিউজিল্যান্ডের পয়েন্ট ৩। পরের ম্যাচে ইংল্যান্ডকে হারালে তারা সেমিফাইনালে পৌঁছে যাবে। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে হেরে পাকিস্তানকে শেষ ম্যাচে পরাজিত করতে হবে, তবেই সম্ভাবনা থাকবে।
সিএ/এমই


