রাজধানীর যাত্রাবাড়ীতে লেগুনাচালক নুরে আলম ওরফে খাইরুলকে হত্যা করার ঘটনায় মামলার প্রধান আসামি মো. হৃদয় হোসেন (২৬) আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। অন্য আসামি মো. শাকিল (২৯) কে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
আজ মঙ্গলবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম জুনাইদ জবানবন্দি রেকর্ড করেন। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী শামসুদ্দোহা সুমন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
জবানবন্দিতে হৃদয় হোসেন জানিয়েছেন, ২০ ফেব্রুয়ারি দুপুর ১২টার দিকে চিটাগাং রোডে যাত্রী ওঠানো নিয়ে তাঁর সঙ্গে খাইরুলের ঝগড়া হয়। পরে খাইরুল যাত্রাবাড়ীতে এসে লেগুনা স্ট্যান্ডে পুনরায় মারামারি চালায়। হৃদয়, শাকিল ও অন্যান্য কয়েকজন মিলে খাইরুলকে মারধর করে। আহত খাইরুলকে তারা ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান এবং “রফিক” নাম দিয়ে ভর্তি করান। চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করলে আসামিরা পালিয়ে যান।
নুরে আলমের বাবা মো. মোয়াল্লেম সর্দার ঘটনার পর যাত্রাবাড়ী থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। গত সোমবার র্যাব-১০ হৃদয় ও শাকিলকে আটক করে, এর আগে ২২ ফেব্রুয়ারি আরেক আসামি সোহান মুন্সিকে কারাগারে পাঠানো হয়েছিল।
মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, ঘটনার আগে চিটাগাং রোডের লেগুনা স্ট্যান্ডে আসামিদের সঙ্গে ভুক্তভোগীর বাগ্বিতণ্ডা ও ধাক্কাধাক্কি হয়। হত্যাকাণ্ডের সময় আসামিরা খাইরুলকে কিল, ঘুষি ও লাথি মারে এবং গুরুতর জখম করেন। জ্ঞান হারানোর পর তাঁকে হাসপাতালে নেওয়া হয়, যেখানে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
সিএ/এমই


