নগরের হালিশহরের হালিমা মঞ্জিল নামের ছয়তলা ভবনে ঘটে যাওয়া বিস্ফোরণের ঘটনায় মৃতের সংখ্যা তিনজনে পৌঁছেছে। গতকাল সোমবার ঢাকায় নেওয়ার পথে মারা যান নুরজাহান বেগম রানী (৪০), আজ মঙ্গলবার সকালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয় সাফায়াত হোসেন (১৭) এবং দুপুরে মারা যান সামির আহামেদ (৪০)।
বিস্ফোরণ ঘটে তৃতীয় তলায় মোটর পার্টস ব্যবসায়ী শাখাওয়াত হোসেনের (৪৭) বাসায়। এতে শাখাওয়াত হোসেন ও তাঁর পরিবারের অন্য সদস্যরা গুরুতর দগ্ধ হয়েছেন। আহতদের মধ্যে শাখাওয়াতের স্ত্রী, ছেলে, মেয়ে এবং পর্তুগালপ্রবাসী ভাই-ভাইয়ের স্ত্রী ও সন্তানরা রয়েছেন। সকলকে চট্টগ্রাম ২৫০ শয্যা জেলা হাসপাতালসহ বিভিন্ন ক্লিনিকে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
প্রাথমিক ধারণা অনুযায়ী, রান্নাঘরে জমে থাকা গ্যাসের বিস্ফোরণ ঘটতে পারে। তবে ঘটনার প্রকৃত কারণ নির্ধারণের জন্য ফায়ার সার্ভিস ও কর্ণফুলী গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি (কেজিডিসিএল) পৃথক তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পরই নিশ্চিত করা যাবে গ্যাস লিক হয়েছে কি না।
ফায়ার সার্ভিসের উপসহকারী পরিচালক আলমগীর হোসেন জানান, কমিটি দ্রুত সময়ের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দেবে। স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছে, ভবনে অতিরিক্ত ভোল্টেজ ও এসি যন্ত্রাংশ থাকায় বিস্ফোরণের প্রকৃত কারণ আরও জটিল হতে পারে।
ঘটনার পর বিস্ফোরণস্থল ও পাশের ফ্ল্যাটের দরজা ও আসবাবপত্র ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বিস্ফোরণ হওয়া ফ্ল্যাটটি বর্তমানে তালাবদ্ধ রাখা হয়েছে।
সিএ/এমই


