গ্রীষ্মের গরমে বাজারে আসছে হিমসাগর, ল্যাংড়া সহ বিভিন্ন প্রজাতির পাকা আম। তবে ডায়াবেটিস রোগীদের মধ্যে পাকা আম খাওয়া নিয়ে দ্বিধা দেখা দেয়। পাকা আমে ভিটামিন সি, এ, ম্যাঙ্গানিজ, জিঙ্ক, পটাশিয়ামসহ প্রয়োজনীয় মিনারেল থাকে। তবে এতে শর্করা ও ক্যালোরি বেশি।
পুষ্টিবিদ অনুশ্রী মিত্র বলেন, ডায়াবেটিস রোগীরাও পাকা আম খেতে পারেন, তবে নিয়ম মেনে। উচ্চ ফ্রুটোজ থাকা সত্ত্বেও আমে প্রয়োজনীয় পুষ্টি রয়েছে।
ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য পাকা আম খাওয়ার পরামর্শ:
১. পুরো একটি আম একবারে না খেয়ে, দিনব্যাপী ভাগ করে খান। এতে রক্তে শর্করার মাত্রা বেশি বাড়বে না।
২. আম ছোট টুকরো করে খান। মনে হবে অনেক খেয়ে ফেলেছেন।
৩. গ্লাইসেমিক ইনডেক্স বেশি হওয়ায় ভারী খাবারের সঙ্গে আম খাওয়া এড়িয়ে চলুন, বিশেষ করে রাতে।
৪. সকালের নাশতা ও দুপুরের মধ্যবর্তী সময়ে আম খাওয়া ভালো। নাশতায় দুইটি রুটির সঙ্গে এক টুকরো আম খেতে পারেন।
৫. শুধু ফল হিসেবে খাওয়া উচিত, জুস বা ডেজার্ট বানিয়ে না খাওয়া ভালো।
৬. আমের সঙ্গে বাদাম বা শসা রাখতে পারেন। এতে রক্তে গ্লুকোজ ধীরে নিঃসৃত হবে।
স্বাস্থ্যগত কারণে, পাকা আম খাওয়ার পরিমাণ ও উপযোগিতা নিশ্চিত করতে চিকিৎসক বা পুষ্টিবিদের পরামর্শ নিন। নিয়মিত রক্তে শর্করার মাত্রা যাচাই করুন।
সিএ/এমআর


