রাজবাড়ীতে পাওনা টাকা নিয়ে বিরোধের জেরে তরুণ ব্যবসায়ী জাহিদ হাসান (২৭) হত্যার ঘটনায় মামলার প্রধান আসামি রাতুলকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-১০। শনিবার (৬ ডিসেম্বর) বিকেলে ঢাকার আশুলিয়া এলাকা থেকে তাঁকে আটক করা হয়। পরে তাঁকে ফরিদপুরে র্যাব ক্যাম্পে নিয়ে যাওয়া হয় এবং সেখান থেকে রাজবাড়ী সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়।
গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন র্যাব-১০–এর সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) ও জ্যেষ্ঠ সহকারী পুলিশ সুপার তাপস কর্মকার। গ্রেপ্তার রাতুল (২৮) রাজবাড়ী সদর উপজেলার বিনোদপুর মেছোঘাটা এলাকার বাসিন্দা।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রায় তিন বছর আগে মালয়েশিয়া থেকে দেশে ফেরেন রাজবাড়ী পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের বিনোদপুর মহল্লার বাসিন্দা মাহতাব ফকিরের ছেলে জাহিদ হাসান ফকির। দেশে ফিরে পুনরায় বিদেশে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন তিনি। পরে এলাকায় স্যানিটারি পণ্যের ব্যবসা শুরু করেন।
গত ১৭ ফেব্রুয়ারি দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে একটি মুঠোফোন কল পেয়ে বাড়ি থেকে বের হন জাহিদ। কিছু সময় পর বাড়ি থেকে প্রায় ২০০ গজ দূরে একটি দোকানের সামনে কয়েকজন তরুণ তাঁকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর জখম করেন। রক্তাক্ত অবস্থায় স্থানীয়রা তাঁকে উদ্ধার করে রাজবাড়ী সদর হাসপাতালে নেওয়ার চেষ্টা করলে পথেই তাঁর মৃত্যু হয়।
ঘটনার পরদিন ১৮ ফেব্রুয়ারি নিহতের বাবা মাহতাব ফকির বাদী হয়ে রাজবাড়ী সদর থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। এতে রাতুলসহ ছয়জনের নাম উল্লেখ করা হয় এবং অজ্ঞাতনামা আরও চার থেকে পাঁচজনকে আসামি করা হয়।
রাজবাড়ী সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা খোন্দকার জিয়াউর রহমান জানান, র্যাবের হাতে গ্রেপ্তার প্রধান আসামি রাতুলকে শনিবার (৬ ডিসেম্বর) গভীর রাতে থানায় আনা হয়েছে। রোববার (৭ ডিসেম্বর) তাঁকে আদালতে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে। মামলার অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।
সিএ/এমই


