নোয়াখালী-২ (সেনবাগ ও সোনাইমুড়ী আংশিক) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী কাজী মো. মফিজুর রহমান অভিযোগ করেছেন, বিএনপির প্রার্থী তাঁকে হুমকি দিচ্ছেন এবং তাঁর নেতা-কর্মীদের মারধর করছেন। আজ মঙ্গলবার দুপুরে নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলার ডুমুরুয়া ইউনিয়নের পরিকোট গ্রামে নিজ বাসভবনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ অভিযোগ করেন।
কাজী মফিজুর রহমান বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সাবেক সদস্য। এর আগে তিনি উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যানও ছিলেন। নোয়াখালী-২ আসন থেকে বিএনপির মনোনয়ন চেয়েছিলেন তিনি। তবে মনোনয়ন না পাওয়া এবং দলীয় সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ার পর তাঁকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে কাজী মফিজুর রহমান বলেন, ‘নির্বাচনী প্রচার শুরুর পর থেকে প্রার্থিতা প্রত্যাহারের জন্য বিএনপির প্রার্থী জয়নুল আবদিন ফারুক আমাকে বিভিন্নভাবে হুমকি প্রদান করছেন। বিভিন্ন এলাকায় আমার প্রচারের কাজে নিয়োজিত নেতা-কর্মীদের মারধর করছেন ধানের শীষের প্রার্থীর লোকজন।’
কাপ-পিরিচ প্রতীকের এই প্রার্থী আরও বলেন, ‘গতকাল সোমবার ডুমুরুয়া ইউনিয়নে বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকের নির্বাচনী পথসভায় আমাকে গাজীর মাজারে গিয়ে তওবা করে ভোট দেওয়ার জন্য বলা হয়েছে। একজন প্রার্থী কীভাবে আরেক প্রার্থীকে উদ্দেশ্য করে এমন কথা বলতে পারেন, এই প্রশ্ন আমি নির্বাচন কমিশনের কাছে তুলেছি।’
তিনি অভিযোগ করেন, ১ ফেব্রুয়ারি সোনাইমুড়ী উপজেলার বারগাঁও ইউনিয়নের ভোরের বাজারে তাঁর নির্বাচনী কার্যালয় ভাঙচুর করা হয়েছে। প্রচারের পোস্টার ছিঁড়ে ফেলা হয়েছে এবং কর্মীদের ১২ তারিখের পর ‘দেখে নেওয়া’ হুমকি দেওয়া হয়েছে। হামলা-ভাঙচুর, প্রচারে বাধা ও হুমকির বিষয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তাদের কাছে লিখিত অভিযোগ করা হলেও পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।
কাজী মফিজুরের অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে বিএনপির প্রার্থী জয়নুল আবদিন ফারুক প্রথম আলোকে বলেন, ‘স্বতন্ত্র প্রার্থীর এসব অভিযোগের কোনো ভিত্তি নেই। এসব অভিযোগ রাজনৈতিকভাবে তাঁকে হেয় করার জন্য প্রচার করা হচ্ছে।’
সিএ/এমই


