নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের সিলেট জেলার গোলাপগঞ্জ উপজেলার সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক তপন কান্তি দে’কে সরকারি চাকরি থেকে স্থায়ীভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে। তিনি সিলেটের কানাইঘাট সাব-রেজিস্ট্রার কার্যালয়ে মোহরার পদে কর্মরত ছিলেন।
জানা গেছে, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনে হামলার ঘটনায় অভিযুক্ত তপন কান্তি দে দীর্ঘদিন ধরে আত্মগোপনে ছিলেন। প্রায় দেড় বছর ধরে তিনি কর্মস্থলে অনুপস্থিত ছিলেন এবং অফিসের সঙ্গে কোনো ধরনের যোগাযোগও রাখেননি। এ ছাড়া তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
সিলেট জেলা রেজিস্ট্রার মো. জহুরুল ইসলাম গত ২৭ জানুয়ারি এক স্মারকপত্রের মাধ্যমে তাকে চাকরি থেকে স্থায়ীভাবে বরখাস্ত করেন। বরখাস্ত হওয়া তপন কান্তি দে সিলেটের গোলাপগঞ্জ উপজেলার হেতিমগঞ্জ হাতিম গ্রামের তৃপ্তি রঞ্জন দে ও ষষ্ঠি রানী দের সন্তান।
কর্মকর্তারা জানান, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট গণ-অভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে ২৫ সেপ্টেম্বর কোনো অনুমতি ছাড়াই তপন কান্তি দে অফিস ত্যাগ করে পালিয়ে যান। সে সময় তিনি অফিসের ডাটাবেইস সংবলিত একটি কম্পিউটার এবং পার্শ্ববর্তী কয়েকটি দোকানের পাওনা অর্থ নিয়ে আত্মগোপনে চলে যান বলে অভিযোগ রয়েছে।
পরবর্তীতে বিধি অনুযায়ী তাকে নোটিশ দিয়ে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। দীর্ঘ সময় তিনি অফিসে অনুপস্থিত থাকায় এবং কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ না করায় তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা রুজু করা হয়। বিভাগীয় তদন্তে অসদাচরণ ও পলায়নের অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় তাকে স্থায়ীভাবে চাকরিচ্যুত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
সিএ/এএ


