সহবাস বা স্বপ্নদোষের পর ফরজ গোসল করার সময়সীমা নিয়ে অনেকের মধ্যেই বিভ্রান্তি রয়েছে। ইসলামি শরিয়তে এ বিষয়ে কোনো নির্দিষ্ট সময় নির্ধারণ করে দেওয়া হয়নি বলে জানিয়েছেন আলেমরা।
ইসলামি গবেষকরা বলছেন, ফরজ গোসল করার মূল শর্ত হলো—পরবর্তী ওয়াক্তের নামাজ কাজা হওয়ার আগেই পবিত্র হওয়া। যত দ্রুত সম্ভব গোসল করে নেওয়াই সুন্নত ও উত্তম আমল।
আলেমদের মতে, গোসল ফরজ অবস্থায় নামাজ ইচ্ছাকৃতভাবে বিলম্ব করা কবিরা গুনাহ। যদি অসুস্থতা বা তীব্র শীতের কারণে পানি ব্যবহার সম্ভব না হয়, তবে তায়াম্মুম করে নামাজ আদায় করার সুযোগ রয়েছে।
শরিয়ত অনুযায়ী যেসব কারণে গোসল ফরজ হয় তার মধ্যে রয়েছে—স্বামী-স্ত্রীর সহবাস, স্বপ্নদোষ, উত্তেজনার সঙ্গে বীর্যপাত, নারীদের মাসিক ও নিফাস শেষ হওয়া, ইসলাম গ্রহণ এবং মৃত্যুর পর গোসল দেওয়া।
হাদিসে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, গোসল ফরজ অবস্থায় ঘরের সাধারণ কাজকর্ম করা নিষিদ্ধ নয়। তবে নামাজ, কুরআন তিলাওয়াত, মসজিদে অবস্থান ও কাবা শরিফ তাওয়াফ করা পবিত্র না হওয়া পর্যন্ত নিষিদ্ধ।
সিএ/এমআর


