অনেকেই রাতে ঘুমানোর পরও সকালে ক্লান্ত ও ভারী মাথা নিয়ে ওঠেন। কেন পুরোপুরি বিশ্রাম পাওয়া সত্ত্বেও এনার্জি কম থাকে, তা অনেকের জন্য প্রশ্ন।
‘ন্যাশনাল স্লিপ ফাউন্ডেশন’-এর মতে, প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য গভীর ঘুম অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ঘণ্টার পর ঘণ্টা ঘুম হলেও যদি মাঝেমধ্যে ঘুম ভেঙে যায় বা গভীর না হয়, শরীর ঠিকমতো রিচার্জ হয় না। মোবাইল স্ক্রল, দেরিতে ঘুমানো বা আলো-শব্দযুক্ত পরিবেশ এই সমস্যাকে বাড়িয়ে তোলে।
স্লিপ অ্যাপনিয়া: ঘুমের মধ্যে শ্বাসপ্রশ্বাস বন্ধ হয়ে গেলে ব্রেন বারবার জেগে ওঠে। কেউ টের পান না, তবু সকালেই ক্লান্তি থাকে। অনেকেই জানেন না যে তারা স্লিপ অ্যাপনিয়ায় ভুগছেন।
আয়রনের ঘাটতি ও অ্যানিমিয়া: হিমোগ্লোবিন কম থাকলে অক্সিজেন ঠিকমতো পৌঁছায় না, ফলে ঘুমের পরও দুর্বলতা থাকে।
থাইরয়েড সমস্যা: হাইপোথাইরয়েডিজমে মেটাবলিজম ধীর হয়, অতিরিক্ত ক্লান্তি দেখা দেয়।
মানসিক চাপ ও ডিপ্রেশন: মানসিক অবসাদ ঘুমের স্বাভাবিক চক্র নষ্ট করে, ব্রেন ঠিকমতো বিশ্রাম পায় না।
চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়ার সময়:
- নিয়মিত ৭–৮ ঘণ্টা ঘুমের পরও ক্লান্ত থাকলে
- দিনের বেলায় ঘুমঘুম ভাব থাকলে
- মনোযোগে সমস্যা হলে
- মাথা ভারি বা কাজে অনীহা দেখা দিলে
২–৩ সপ্তাহের বেশি সময় থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ প্রয়োজন।
সিএ/এমআর


