শীতে ঠান্ডা থাকলেও বাঙালির খাবারের উৎসব শুরু হয়। পিঠা-পুলি থেকে শুরু করে নানা ধরনের খাবার দেখা যায় ঘরে ঘরে। এই সময়ের কিছু খাবার শরীরকে সুস্থ রাখতে বিশেষ কার্যকর।
মাটির নিচের সবজি:
গাজর, আলু, বিটরুট, মুলা, মিষ্টি আলু ও শালগমের মতো রুট ভেজিটেবলস শরীরকে উষ্ণ রাখতে সাহায্য করে। বিটা-ক্যারোটিন, ভিটামিন সি ও এ প্রভৃতি উপাদান সর্দি ও ফ্লু প্রতিরোধ করে।
মশলা:
আদা, জিরা, দারুচিনি, গোলমরিচ, তিল ও হলুদ শীতে শরীরকে উষ্ণ রাখে। দারুচিনি মেটাবলিজম বাড়ায়, জিরা ও আদা দীর্ঘ সময় শরীরকে তাপ দেয়। গোলমরিচ ফ্লু থেকে রক্ষা করে, তিল শ্বাসযন্ত্রের রোগ প্রতিরোধে সহায়ক।
চা:
তুলসী, দারুচিনি, আদা ও লেবুর চা শরীর ও মনকে উষ্ণ রাখে। তুলসী রক্ত পরিষ্কার করে, দারুচিনি সংক্রমণ প্রতিরোধে সহায়ক, আদা চা ডিটক্সিফাই করতে এবং ঠান্ডার উপসর্গ কমাতে কার্যকর। লেবু চা ভিটামিন সি সরবরাহ করে।
মধু:
মধুতে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল বৈশিষ্ট্য রয়েছে। উষ্ণ পানিতে মধু খেলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। প্রিবায়োটিক বৈশিষ্ট্য অন্ত্রে উপকারী ব্যাকটেরিয়া বৃদ্ধিতে সাহায্য করে।
শুকনো ফল ও বাদাম:
বাদাম, কাজু, আখরোট, কিশমিশ শরীরকে উষ্ণ রাখে। অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও ট্রেস মিনারেল সরবরাহ করে। কাঁচা বা কম লবণযুক্ত বাদাম বেশি উপকারী।
ঘি:
ঘি হজম সহজ, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়, হাড় শক্তিশালী করে এবং ত্বককে মসৃণ রাখে। তবে যারা রক্তে চর্বির পরিমাণ বেশি তাদের জন্য ঘি সীমিত খাওয়া ভালো।
শীতে এই খাবারগুলো নিয়মিত খেলে শরীর সুস্থ ও সতেজ থাকে।
সিএ/এমআর


