তিসির বীজ ও চিয়া বীজের পাশাপাশি কুমড়ার বীজ এখন স্বাস্থ্যসচেতন মানুষের খাদ্যতালিকায় বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। কুমড়ার বীজে রয়েছে ভিটামিন এ, ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, জিঙ্ক, ওমেগা থ্রি ফ্যাটি এসিড ও ফাইবার, যা শরীরের নানা উপকারে আসে। অনেকেই এটি স্ন্যাক্স হিসেবে ভেজে খান, আবার কেউ স্মুদি বা দইয়ের সঙ্গে মিশিয়ে নেন। তবে সঠিক নিয়ম না মানলে এই বীজের পুষ্টিগুণ পুরোপুরি পাওয়া যায় না।
আমেরিকার হার্ট অ্যাসোসিয়েশন জানিয়েছে, একজন প্রাপ্তবয়স্ক সুস্থ মানুষ দিনে ২৮ থেকে ৩০ গ্রাম কুমড়ার বীজ খেতে পারেন। তবে কিডনি বা লিভারের সমস্যা থাকলে যেকোনো বীজ খাওয়ার আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি। মাত্রাতিরিক্ত সেবনে উপকারের বদলে ক্ষতি হতে পারে।
অনেকে কুমড়ার বীজ অতিরিক্ত তাপে ভেজে নেন, ফলে এতে থাকা স্বাস্থ্যকর ফ্যাট ও ভিটামিন নষ্ট হয়ে যায়। ঢিম আঁচে দুই থেকে তিন মিনিট নেড়ে ভাজলেই যথেষ্ট। বাজার থেকে কেনা প্যাকেটজাত বীজে অনেক সময় লবণ মেশানো থাকে, যা অতিরিক্ত গ্রহণ করলে রক্তচাপ বাড়তে পারে। তাই কেনার আগে লেবেল ভালোভাবে দেখা প্রয়োজন।
কুমড়ার বীজে ফাইবার বেশি থাকায় পর্যাপ্ত পানি না খেলে কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা হতে পারে। বীজ খাওয়ার পর এক থেকে দুই গ্লাস পানি পান করা উপকারী। ওজন নিয়ন্ত্রণের জন্য অনেকেই এটি খান, তবে বেশি পরিমাণে খেলে অতিরিক্ত ক্যালরির কারণে ওজন বেড়ে যেতে পারে। তাই প্রতিদিনের মোট খাদ্য ও ক্যালরির হিসাব রেখে বীজ খাওয়াই সবচেয়ে নিরাপদ।
সিএ/এমআর


