রমজান মাসে দীর্ঘ সময় না খেয়ে থাকার ফলে শরীরে পানিশূন্যতা ও শক্তির ঘাটতি দেখা দিতে পারে। তাই ইফতারে কী খাওয়া হচ্ছে, তা সুস্থ থাকার ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পুষ্টিবিদদের মতে, রোজার সময় অন্যান্য দিনের তুলনায় খাবারের পরিমাণ কিছুটা কম রেখে পুষ্টিকর খাবারে গুরুত্ব দেওয়া উচিত।
ইফতারে পর্যাপ্ত পানি পান করা সবচেয়ে জরুরি। পাশাপাশি খেজুর ভেজানো পানি, ডাবের পানি, লেবুর শরবত কিংবা তাজা ফলের রস শরীরকে সতেজ রাখে এবং প্রয়োজনীয় ইলেকট্রোলাইট সরবরাহ করে। খেজুর দিয়ে ইফতার শুরু করলে দ্রুত শক্তি ফিরে আসে এবং হজমেও সহায়তা করে।
তাজা ফলমূল যেমন তরমুজ, আপেল, কলা, পেঁপে বা আঙুর শরীরে ভিটামিন ও খনিজের ঘাটতি পূরণ করে। পাশাপাশি সিদ্ধ ডিম, গ্রিলড মুরগি বা মাছ, দই ও ছানার মতো প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবার শক্তি ধরে রাখতে সহায়ক।
হালকা শর্করা ও আঁশযুক্ত খাবার যেমন ছোলা বা ওটস দীর্ঘ সময় শক্তি বজায় রাখতে সাহায্য করে। এ ছাড়া বাদাম ও বীজজাতীয় খাবার সুস্থ ফ্যাট ও ফাইবার সরবরাহ করে। ইফতারে দই বা লাবান খেলে হজম সহজ হয় এবং শরীর দীর্ঘক্ষণ সতেজ থাকে।
সিএ/এমআর


