যদি রমজান মাসে কোনো রোজা ছুটে যায়, তা সত্বর কাজা করা ওয়াজিব নয়; বরং নির্ধারিত সময়ে ও সুযোগ অনুযায়ী তা আদায় করা যায়। কাফফারাও একইভাবে সত্বর আদায় করা বাধ্যতামূলক নয়। মহান আল্লাহ বলেন, ‘কিন্তু তোমাদের মধ্যে কেউ অসুস্থ বা মুসাফির হলে সে অপর কোনো দিন গণনা করবে।’ -সূরা বাকারা: ১৮৪
বিনা কারণ ছাড়া কাজা রোজা বিলম্ব করা মাকরুহ। এক রমজানের কাজা রোজাগুলো পরবর্তী রমজানের আগেই আদায় করা উচিত। শাবান মাসেও কাজা রোজা আদায়ের বিশেষ সুযোগ আছে। হজরত আয়েশা (রা.) জানান, তার ওপর রমজানের যে কাজা রোজা হয়েছিল তা তিনি পরবর্তী শাবান ছাড়া আদায় করতে পারতেন না।
রোজা ভঙ্গের কিছু কারণে কেবল কাজা রোজা দিতে হয়, কাফফারা প্রয়োজন হয় না। যেমন ইচ্ছাকৃত বমি, মাসিক, সন্তান প্রসব, অজান্তে গ্লুকোজ বা স্যালাইন গ্রহণ, জোর করে খাওয়ানো ইত্যাদি।
কাজা রোজা বছরের যেকোনো দিন আদায় করা যায়, তবে শরিয়তে নিষিদ্ধ দিন যেমন ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহার তিন দিন বাদ দিতে হবে। হানাফি মাজহাব মতে কাজা রোজার নিয়ত সুবহে সাদিকের আগে করতে হবে; দিনের বেলায় নেওয়া হলে তা নফল রোজা হিসেবে গণ্য হবে।
সিএ/এমআর


