খাবারে চর্বি বা ফ্যাটের নাম শুনলেই অনেকেই আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। কিন্তু সব ফ্যাট একরকম নয়। কিছু ফ্যাট শরীরের জন্য ক্ষতিকর হলেও কিছু ফ্যাট হৃদযন্ত্র সুস্থ রাখতে গুরুত্বপূর্ণ। তাই কোন ফ্যাট খাবেন এবং কোনটি এড়িয়ে চলবেন, তা জানা জরুরি।
ফ্যাট শরীরের প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদান। এটি শক্তি জোগায়, ভিটামিন এ, ডি, ই ও কে শোষণে সাহায্য করে এবং কোষের স্বাভাবিক কার্যক্রমে ভূমিকা রাখে। ত্বক ও চুল ভালো রাখতেও ফ্যাট প্রয়োজন। তবে বেশি ফ্যাট খেলে ওজন বেড়ে যায় এবং হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ে।
ক্ষতিকর ফ্যাটের মধ্যে স্যাচুরেটেড ফ্যাট এবং ট্রান্স ফ্যাট প্রধান। স্যাচুরেটেড ফ্যাট সাধারণত প্রাণিজ খাবারে থাকে যেমন গরু বা খাসির চর্বিযুক্ত মাংস, মুরগির চামড়া, পুরো দুধ, মাখন, পনির, আইসক্রিম, নারিকেল ও পাম তেল। বেশি খেলে খারাপ কোলেস্টেরল বৃদ্ধি পায়।
ট্রান্স ফ্যাট প্রক্রিয়াজাত ও ভাজা খাবারে থাকে যেমন ফাস্ট ফুড, ডিপ ফ্রাই, বিস্কুট, কেক, পেস্ট্রি, কিছু মার্জারিন। এটি খারাপ কোলেস্টেরল বাড়ায় এবং ভালো কোলেস্টেরল কমায়। হৃদরোগ, স্ট্রোক ও ডায়াবেটিসের ঝুঁকি বাড়ে।
ভালো ফ্যাটের মধ্যে মনোআনস্যাচুরেটেড এবং পলিআনস্যাচুরেটেড ফ্যাট গুরুত্বপূর্ণ। মনোআনস্যাচুরেটেড ফ্যাট কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। উৎস: অলিভ অয়েল, চিনাবাদাম তেল, বাদাম, অ্যাভোকাডো। পলিআনস্যাচুরেটেড ফ্যাট শরীর নিজে তৈরি করতে পারে না, তাই খাবার থেকেই নিতে হয়। ওমেগা থ্রি পাওয়া যায় সামুদ্রিক মাছ, আখরোট, চিয়া বীজ ও তিসি থেকে।
ভালো ফ্যাট হলেও পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে। রান্নায় অতিরিক্ত তেল ব্যবহার না করে সেদ্ধ, ভাপানো বা হালকা
সিএ/এমআর


