সুস্থ ও সক্রিয় জীবনযাপনের জন্য সকালের সময়টিকে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা। আধুনিক সেডেন্টারি জীবনধারার কারণে কম বয়সেও ডায়াবেটিস, কোলেস্টেরল, জয়েন্টের ব্যথা ও হাড়ের নানা সমস্যায় ভুগছেন অনেকেই। এ পরিস্থিতিতে সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর প্রথম ৩০ মিনিটের অভ্যাস পুরো দিনের স্বাস্থ্য ও মানসিক অবস্থার ওপর প্রভাব ফেলতে পারে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, দীর্ঘ সময় ঘুমের কারণে শরীর কিছুটা ডিহাইড্রেট থাকে। তাই ঘুম থেকে উঠেই এক গ্লাস কুসুম গরম পানি পান করা উপকারী। চাইলে কুসুম গরম লেবুর পানিও পান করা যেতে পারে। এ সময় চা বা কফি এড়িয়ে চলাই ভালো।
এরপর হালকা স্ট্রেচিং শরীরকে চাঙ্গা করতে সাহায্য করে। মাত্র ৫ থেকে ১০ মিনিটের স্ট্রেচিং পেশির নমনীয়তা বাড়ায় এবং জয়েন্টের শক্তভাব কমায়। এতে কাজের এনার্জিও বৃদ্ধি পায়।
সকালের রোদে কিছু সময় দাঁড়ানো স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। এতে শরীরে ভিটামিন ডি-এর ঘাটতি পূরণে সহায়তা করে, যা হাড় ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। অন্তত ১৫ মিনিট সকালের রোদে থাকা ভালো বলে পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকরা।
যারা নিয়মিত ব্যায়াম করেন, তাদের জন্য সকালের সময়টিই সবচেয়ে উপযোগী। ব্রিস্ক ওয়াকিং, সাইকেলিং, সাঁতার কিংবা হালকা ওয়ার্কআউট দিনের শুরুতেই করলে শরীর ও মন দুটোই সতেজ থাকে।
এ সময় দিনের কাজ গুছিয়ে নেওয়ার অভ্যাস মানসিক চাপ কমায়। সারাদিনের কাজের তালিকা তৈরি করলে সময় ব্যবস্থাপনা সহজ হয় এবং অপ্রয়োজনীয় উদ্বেগ কমে।
সিএ/এমআর


