ডিম হলো সহজলভ্য, সাশ্রয়ী এবং পুষ্টিগুণে ভরপুর খাবার। বিশেষ করে কম খরচে উচ্চমানের প্রোটিন পেতে ডিমের তুলনা নেই। প্রতিদিন দুটি সিদ্ধ ডিম খেলে শরীরের নানা দিকেই ইতিবাচক প্রভাব পড়ে।
শরীরের পেশি মজবুত করে: দুটি সিদ্ধ ডিমে প্রায় ১২ গ্রাম প্রোটিন থাকে। এই প্রোটিন পেশি গঠন ও ক্ষতিগ্রস্ত টিস্যু মেরামতে সাহায্য করে। নিয়মিত ডিম খেলে শরীরের শক্তি ও সহনশীলতাও বৃদ্ধি পায়।
দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা রাখে: ডিমে প্রোটিন বেশি, কিন্তু ক্যালরি কম। ফলে এটি দীর্ঘ সময় পেট ভরা রাখে এবং অকারণে বারবার খাওয়ার প্রবণতা কমায়। এটি ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে সহায়তা করে।
হৃদযন্ত্রের জন্য উপকারী: ডিমে কোলেস্টেরল থাকলেও পরিমিত পরিমাণে খেলে এটি ভালো কোলেস্টেরল (এইচডিএল) বৃদ্ধি করে, যা হৃদযন্ত্রের জন্য সহায়ক। সঠিক পরিমাণে ডিম খাওয়া হার্টের জন্য ক্ষতিকর নয়।
হাড় শক্তিশালী করে: ডিমে থাকা ভিটামিন ডি ও ক্যালসিয়াম হাড় মজবুত করতে সাহায্য করে। নিয়মিত ডিম খেলে অস্টিওপোরোসিস বা হাড় ক্ষয় হওয়ার ঝুঁকি কমে।
মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা বাড়ায়: ডিমে থাকে কোলিন, যা মস্তিষ্কের কার্যকারিতা, স্মৃতিশক্তি এবং স্নায়ুতন্ত্র সুস্থ রাখতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
চোখের যত্নে সহায়ক: ডিমে থাকা লুটেইন ও জিয়াজ্যানথিন অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট বয়সজনিত চোখের সমস্যা কমাতে সাহায্য করে এবং দৃষ্টিশক্তি বজায় রাখতে সহায়ক।
কিভাবে খাওয়া সবচেয়ে ভালো:
সিদ্ধ ডিম খাওয়া সবচেয়ে স্বাস্থ্যকর উপায়। অমলেট বা স্ক্র্যাম্বলড ডিমে অতিরিক্ত তেল বা মাখন ব্যবহার করলে ক্যালরি বেড়ে যায়, যা ওজন বৃদ্ধির কারণ হতে পারে।
সঠিকভাবে রান্না করে প্রতিদিন দুটি সিদ্ধ ডিম খেলে শরীর প্রয়োজনীয় পুষ্টি পায় এবং সামগ্রিক স্বাস্থ্যের উন্নতি হয়।
সিএ/এমআর


