শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান স্বাধীন বাংলাদেশ পুনর্গঠন ও রাষ্ট্রীয় কাঠামো শক্তিশালীকরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন বলে মন্তব্য করেছেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান।
শনিবার (৬ জুন) রাজধানীর মগবাজারে মুক্তিযোদ্ধা সংসদ অডিটরিয়ামে জিয়াউর রহমানের ৪৫তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।
মন্ত্রী বলেন, জিয়াউর রহমান স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় অবদান রেখেছেন। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সূচনালগ্নে তার ভূমিকা জাতিকে দিকনির্দেশনা দিয়েছিল এবং পরবর্তীতে যুদ্ধ পরিচালনায় সংগঠিত কাঠামো গড়ে তুলতে সহায়ক ছিল।
তিনি আরও বলেন, তেলিয়াপাড়া সম্মেলনে তার প্রস্তাবেই যুদ্ধের নাম ‘মুক্তিযুদ্ধ’ নির্ধারণ এবং সেক্টরভিত্তিক যুদ্ধ পরিচালনার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়, যা মুক্তিযুদ্ধকে সুসংগঠিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
আহমেদ আযম খান বলেন, রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে জিয়াউর রহমান সামরিক শাসন থেকে দেশকে গণতান্ত্রিক ধারায় ফিরিয়ে আনেন এবং বহুদলীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা করেন। পাশাপাশি বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিল প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ গ্রহণ করেন।
তিনি বলেন, জিয়াউর রহমান ছিলেন সাদাসিধে ও মিতব্যয়ী জীবনযাপনের অনুসারী একজন রাষ্ট্রনায়ক। কৃষি ও গ্রামীণ উন্নয়নকে তিনি জাতীয় অগ্রগতির ভিত্তি হিসেবে গুরুত্ব দিয়েছিলেন এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করেছেন।
মন্ত্রী আরও বলেন, তার রাষ্ট্রচিন্তা ও আদর্শ আজও বাংলাদেশের উন্নয়ন, গণতন্ত্র ও জাতীয় ঐক্যের জন্য প্রাসঙ্গিক। তার নেতৃত্বে দেশ আত্মনির্ভরশীলতা ও উৎপাদনমুখী অর্থনীতির পথে এগিয়ে যেতে শুরু করেছিল।
সভায় মুক্তিযোদ্ধাদের কল্যাণে চলমান বিভিন্ন উদ্যোগ এবং অবকাঠামোগত উন্নয়ন কার্যক্রম নিয়েও আলোচনা করা হয়। বক্তারা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং তার আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে একটি সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গঠনের আহ্বান জানান।
সিএ/এমই


