নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচির উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। মঙ্গলবার ১০ মার্চ বেলা সোয়া ১১টার দিকে রাজধানীর বনানীর কড়াইল বস্তিসংলগ্ন টিঅ্যান্ডটি মাঠে এই কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়।
অনুষ্ঠান উপলক্ষে সকাল থেকেই নিম্ন আয়ের মানুষ সেখানে জড়ো হন। অনেক উপকারভোগীর মোবাইল ফোনে ইতোমধ্যে সরকারি সহায়তার অর্থ জমা হওয়ার বার্তাও পৌঁছে গেছে।
ঈদের আগে সরকারের এই সহায়তা পেয়ে অনেক পরিবারের সদস্যদের চোখে আনন্দের অশ্রু দেখা গেছে। কেউ এই অর্থ দিয়ে ওষুধ কেনার পরিকল্পনা করছেন, আবার কেউ কিছু অর্থ সঞ্চয়ের কথা ভাবছেন।
সরকারি তথ্য অনুযায়ী, পরীক্ষামূলক প্রকল্প হিসেবে দেশের ১৩টি জেলার ১৩টি সিটি করপোরেশন ও ইউনিয়নের ১৫টি ওয়ার্ডে এই কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।
প্রাথমিকভাবে ৩৭ হাজার ৫৬৭টি নারীপ্রধান পরিবারকে এই কর্মসূচির আওতায় নির্বাচন করা হয়েছে। পরিবারপ্রতি একটি করে কার্ড দেওয়া হবে। পরিবারের সদস্য সংখ্যা বেশি হলে তা আনুপাতিক হারে বিবেচনা করা হবে।
সোমবার সচিবালয়ে এক ব্রিফিংয়ে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এবং সমাজকল্যাণমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন জানান, এই কার্ড সম্পূর্ণ বিনামূল্যে বিতরণ করা হবে। সরকারের পক্ষ থেকে বাড়ি বাড়ি গিয়ে কার্ড পৌঁছে দেওয়া হবে এবং এতে কোনো ধরনের দলীয় প্রভাব রাখা হবে না।
সরকারি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে বিশেষ নজরদারি থাকবে এবং কোনো অভিযোগ পাওয়া গেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পাইলট প্রকল্পের আওতায় প্রতিটি পরিবারকে মোবাইল ওয়ালেট বা ব্যাংক অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে প্রতি মাসে আড়াই হাজার টাকা করে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হবে।
সিএ/এমআর


