কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ভাষাশহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে সার্বিকভাবে মানুষ উপস্থিত ছিলেন। খালি পায়ে ফুল হাতে সারিবদ্ধভাবে তারা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। অনেকেই পরেছেন একুশের প্রতীক হিসেবে সাদা–কালো পোশাক। শহীদ মিনারের বেদি ফুলে ভরে গেছে।
অমর একুশে ফেব্রুয়ারি ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের প্রথম প্রহরে রাত ১২টা ১ মিনিটে শ্রদ্ধা নিবেদন শুরু হয়। এটি চলেছে সাহরির আগে পর্যন্ত। সাহরি শেষে শনিবার সকাল সাড়ে ৬টায় প্রভাত ফেরিতে শ্রদ্ধা নিবেদন কার্যক্রম পুনরায় শুরু হয়।
প্রভাত ফেরিতে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক সংগঠন ভাষাশহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন। শ্রদ্ধা নিবেদনকারী প্রতিষ্ঠানের মধ্যে রয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি, জাতীয়তাবাদী তাঁতীদল কেন্দ্রীয় কমিটি, বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র, বিএনপি ঢাকা মহানগর দক্ষিণ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সলিমুল্লাহ মুসলিম হল, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় জগন্নাথ হল, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবদল, বাসদ (মার্কসবাদী), সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট প্রভৃতি।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য নিয়াজ আহমেদ খান, বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আবদুস সালাম, জাতীয়তাবাদী যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম, সংসদ সদস্য ইশরাক হোসেন এবং সংসদ সদস্য হাবিবুর রশিদ শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে বিভিন্ন ভাষার বর্ণ হাতে নিয়ে উপস্থিত ছিলেন নাগরিকরা। শহীদ মিনারের বেদি এবং আশেপাশের এলাকা ফুলে ফুলে ভরে ওঠে। শ্রদ্ধা নিবেদন কার্যক্রমের সময় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।
সিএ/এমই


