ইসলাম ধর্মে প্রাণীর প্রতি দায়িত্ব ও সহমর্মিতার বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বসহকারে তুলে ধরা হয়েছে। প্রাণীর অধিকার রক্ষায় ইসলাম যে নীতিমালা দিয়েছে, তা মানবিকতা ও নৈতিকতার এক উজ্জ্বল উদাহরণ হিসেবে বিবেচিত হয়।
ইসলামে প্রাণীর খাদ্য ও পানির নিশ্চয়তা দেওয়া মালিকের দায়িত্ব হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছে। একটি বিড়ালকে আটকে রেখে মৃত্যুর কারণ হওয়ার ঘটনায় এক নারীর শাস্তির কথা এবং তৃষ্ণার্ত কুকুরকে পানি পান করানোর কারণে ক্ষমা পাওয়ার ঘটনাও হাদিসে উল্লেখ রয়েছে।
প্রাণীকে কষ্ট দেওয়া, বিনোদনের জন্য ব্যবহার করা বা অকারণে আঘাত করা ইসলামে নিষিদ্ধ। রাসুল (সা.) প্রাণীকে লক্ষ্যবস্তু বানিয়ে আঘাত করার বিষয়েও কঠোরভাবে সতর্ক করেছেন।
প্রাণীর প্রতি দয়া প্রদর্শন, পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা এবং তাদের প্রয়োজন অনুযায়ী যত্ন নেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে অপ্রয়োজনে পশুর পিঠে দীর্ঘ সময় বসে থাকা বা অতিরিক্ত বোঝা চাপানো থেকেও বিরত থাকতে বলা হয়েছে।
জবাইয়ের ক্ষেত্রেও দয়ার সঙ্গে আচরণ করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। প্রাণীকে কম কষ্ট দিয়ে দ্রুত জবাই করার নির্দেশ রয়েছে, যা ইসলামের মানবিক দৃষ্টিভঙ্গিকে তুলে ধরে।
এই নীতিমালাগুলো শুধু ধর্মীয় নির্দেশনা নয়, বরং একটি মানবিক সমাজ গঠনের ভিত্তি হিসেবেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
সিএ/এমআর


