ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়পুরহাট–১ (সদর-পাঁচবিবি) আসনে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে সংসদ সদস্য (এমপি) হতে না পারলেও জেলা বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুদ রানা প্রধানকে জেলা পরিষদের প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। রোববার (৭ ডিসেম্বর) স্থানীয় সরকার বিভাগের এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে তাঁর এই নিয়োগের তথ্য জানানো হয়।
এ পর্যন্ত জয়পুরহাট জেলা প্রশাসক অতিরিক্ত দায়িত্ব হিসেবে জেলা পরিষদের প্রশাসকের দায়িত্ব পালন করছিলেন। মাসুদ রানা প্রধানের নিয়োগে জেলা বিএনপির নেতা-কর্মীদের মধ্যে উচ্ছ্বাস দেখা গেছে। তাঁরা মনে করছেন, তাঁর নেতৃত্বে জেলা পরিষদের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড আরও গতিশীল হবে।
দলীয় সূত্রে জানা যায়, মাসুদ রানা প্রধান দীর্ঘদিন ধরে জয়পুরহাটে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে সক্রিয়ভাবে জড়িত। তিনি জেলা বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়কের পদে রয়েছেন। তাঁর বাবা মোজাহার আলী প্রধানও জয়পুরহাট-১ আসনে বিএনপির এমপি ছিলেন।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিয়ে মাসুদ রানা প্রধান জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. ফজলুর রহমান সাঈদের কাছে পরাজিত হন। তবে পরাজিত হওয়ার পরও তিনি মনঃকষ্টে বসে থাকেননি। নিজের নির্বাচনী এলাকা জয়পুরহাট সদর ও পাঁচবিবি উপজেলায় ঘুরে ঘুরে দলীয় নেতা-কর্মী ও সমর্থকদের সান্ত্বনা দিয়েছেন। সংসদ নির্বাচনের এক মাসের মাথায় সরকার তাঁকে জেলা পরিষদের প্রশাসক পদে নিয়োগ দিয়েছে।
রায়কালী ইউনিয়ন বিএনপির নেতা শাহিনুর রহমান বলেন, ‘মাসুদ রানা প্রধান জেলা পরিষদের প্রশাসক নিযুক্ত হওয়ায় আমরা উচ্ছ্বাসিত।’
নিয়োগ পাওয়ার পর মাসুদ রানা প্রধান রোববার রাতে ফেসবুকে একটি পোস্টে লিখেছেন, ‘বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) বিভিন্ন সংস্থার রিপোর্ট পর্যালোচনা করে দেখেছে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আমি হেরে যাইনি। আমাকে ষড়যন্ত্রের শিকার হতে হয়েছে।’ তিনি তাঁর ওপর অর্পিত দায়িত্ব পালনে সবার সহযোগিতা চান।
সিএ/এমই


