মাগুরা জেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয়ের সামনে দলের ও জাতীয় পতাকা উত্তোলনের ঘটনায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলায় জেলা আওয়ামী লীগের এক সহসভাপতিসহ ২১ জনকে আসামি করা হয়েছে এবং অজ্ঞাতনামা আরও ২৫–৩০ জনকে যুক্ত করা হয়েছে। আজ শুক্রবার আদালতের মাধ্যমে চারজনকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
গ্রেপ্তারদের মধ্যে রয়েছেন জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি এনামুল হক হীরক (৫২), জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও সদর উপজেলা সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান মোছা. সোনিয়া সুলতানা (৪০), পশু হাসপাতালপাড়ার একটি ব্যায়ামাগারের পরিচালক হাসান মাসুদ এবং পারনান্দুয়ালী গ্রামের বাসিন্দা ওসমান আলী মোল্লা।
পুলিশ জানিয়েছে, সন্ত্রাসবিরোধী আইনে দায়ের করা মামলায় অভিযোগ আনা হয়েছে যে, সরকারের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমূলক কর্মকাণ্ড ও অপপ্রচার চালানোর উদ্দেশ্যে সমবেত হয়ে মিছিল ও বোমা ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের চেষ্টা করা হয়েছে।
তবে গ্রেপ্তার এনামুল হকের স্ত্রী লাতিফা পারভিন এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, সেখানে কোনো নাশকতা হয়নি; পতাকা উত্তোলনের পর জাতীয় সংগীত, বক্তব্য ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, বিকেলে পতাকা উত্তোলন ও মোনাজাতের পর বিএনপির বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের নেতা–কর্মীরা কার্যালয়ের মালামাল ভাঙচুর ও আগুন ধরিয়ে দিয়েছেন। ৫ আগস্টে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের দিনও ওই কার্যালয়ে আগুন ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছিল।
মাগুরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আশিকুর রহমান বলেন, নাশকতা ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির অভিযোগে মামলা রেকর্ড করা হয়েছে। গ্রেপ্তার চার আসামিকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে।
সিএ/এমই


