ইসলামে প্রাপ্তবয়স্ক নারী ও পুরুষ সবার জন্য রোজা রাখা ফরজ। পবিত্র কোরআনে বলা হয়েছে, ‘হে ঈমানদাররা! তোমাদের ওপর রোজা ফরজ করা হলো, যেমন তোমাদের পূর্ববর্তীদের ওপর ফরজ করা হয়েছিল; যাতে তোমরা তাকওয়া অর্জন করতে পারো।’
তবে কিছু বিশেষ অবস্থায় রোজা না রাখার সুযোগ এবং পরে কাজা আদায়ের বিধান রয়েছে। সাধারণভাবে গর্ভবতী নারীর জন্যও রোজা রাখা ফরজ। কিন্তু যদি রোজা রাখার কারণে গর্ভবতী নারী বা গর্ভের সন্তানের ক্ষতির আশঙ্কা দেখা দেয়, তাহলে তার জন্য রোজা না রাখার অনুমতি রয়েছে। সে ক্ষেত্রে পরবর্তীতে ওই রোজাগুলোর কাজা আদায় করতে হবে।
পবিত্র কোরআনে আরও বলা হয়েছে, ‘তোমাদের মধ্যে কেউ অসুস্থ হলে বা সফরে থাকলে অন্য দিনে এ সংখ্যা পূরণ করে নেবে।’ এই আয়াতের ব্যাখ্যায় গর্ভবতী নারীদের ক্ষেত্রেও ছাড়ের কথা উল্লেখ করেছেন আলেমরা।
হাদিসে বর্ণিত রয়েছে, আল্লাহ তায়ালা মুসাফির লোকের রোজা ও নামাজে ছাড় দিয়েছেন এবং গর্ভবতী ও দুগ্ধদানকারিণী নারীদের জন্যও রোজা মাফ করেছেন। এ হাদিসের ভিত্তিতে সাহাবিরা বলেছেন, গর্ভবতী নারী রোজা না রাখলে পরে তা কাজা করে নেবেন, ফিদিয়া দেওয়া আবশ্যক নয়।
সিএ/এমআর


