রমজান আত্মশুদ্ধি, সংযম ও আল্লাহর নৈকট্য অর্জনের বিশেষ সময়। এই মাস কীভাবে সর্বোত্তমভাবে কাটাতে হয়, তার বাস্তব উদাহরণ রেখে গেছেন মহানবী মুহাম্মদ সা.। তাঁর রমজানের জীবন ছিল ইবাদত, পারিবারিক দায়িত্ব ও সমাজসেবার ভারসাম্যে পরিপূর্ণ।
রমজানে তাঁর দিন শুরু হতো বরকতময় সাহরির মাধ্যমে। তিনি অল্প আহার করতেন এবং সাহরির গুরুত্ব সম্পর্কে উম্মতকে উৎসাহিত করতেন। দিনের বেলায় তিনি ফরজ নামাজ আদায়, সাহাবিদের ইমামতি এবং দাওয়াতি কাজ চালিয়ে যেতেন।
পারিবারিক জীবনেও তিনি ছিলেন দায়িত্বশীল। ঘরের কাজে স্ত্রীদের সহায়তা করতেন এবং সময় হলে ইবাদতে মনোনিবেশ করতেন। এতে বোঝা যায়, রমজানের ইবাদত সংসারবিমুখতা নয়, বরং দায়িত্ব ও ইবাদতের সমন্বয়।
ইফতারে তিনি সরলতা বজায় রাখতেন। খেজুর বা পানি দিয়ে রোজা ভাঙতেন এবং মাগরিবের নামাজ আদায় করতেন। রাতের সময় তিনি এশা, তারাবি ও কিয়ামুল লাইল আদায়ে মনোযোগী থাকতেন।
রমজানের শেষ দশকে ইবাদতের তীব্রতা আরও বাড়িয়ে দিতেন মহানবী সা.। ইতিকাফ, দীর্ঘ দোয়া ও কোরআন তিলাওয়াতের মাধ্যমে তিনি লাইলাতুল কদরের সন্ধান করতেন। তাঁর এই জীবনধারা রমজানকে অর্থবহ করে তোলার পূর্ণাঙ্গ দিকনির্দেশনা দেয়।
সিএ/এমআর


