রমজান মাসে খাদ্যাভ্যাস ও দৈনন্দিন রুটিনের পরিবর্তনের কারণে মানুষ নানা শারীরিক সমস্যার সম্মুখীন হয়। বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, কিছু সতর্কতা নিয়ে এগুলো এড়ানো সম্ভব।
গলা-বুক জ্বলা ও অ্যাসিডিটি সাধারণ সমস্যা। দীর্ঘ সময় খালি পেটে থাকার পর হঠাৎ ভারী খাবার খাওয়ায় এ সমস্যা হয়। ইফতারে অতিরিক্ত ভাজা বা মসলাযুক্ত খাবার এড়ানো উচিত। ছোট ভাগে খাওয়া ও পানির ব্যবস্থায় বিরতি দেওয়াও সহায়ক। সাহরি খাওয়ার পর কিছুক্ষণ হাঁটাহাঁটি করে ঘুমানো সুপারিশ করা হয়েছে।
কোষ্ঠকাঠিন্য রমজানে শাকসবজি কম খাওয়ার কারণে দেখা যায়। ইফতারে সবজি, ফল, সালাদ ও টক দই খাওয়া ভালো। আঁশযুক্ত খাবার এবং প্রচুর পানি গ্রহণ কোষ্ঠকাঠিন্য রোধে সহায়ক।
বদহজম ও ডায়রিয়ার জন্য অস্বাস্থ্যকর খাবার এড়ানো জরুরি। বাইরের খাবার বা অনিয়মিত ইফতারি এড়াতে হবে। বিশুদ্ধ পানি সঙ্গে রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
প্রস্রাবের সমস্যা কমাতে ইফতার থেকে সাহরির মধ্যে ধাপে ধাপে দুই-আড়াই লিটার পানি পান করা উচিত। ক্লান্তি ও অবসাদের জন্য পর্যাপ্ত ঘুম এবং সহজপাচ্য, পুষ্টিকর খাবার গ্রহণ প্রয়োজন।
সিএ/এমআর


