বাংলাদেশের রান্নাঘরে রুই মাছ পরিচিত। পুষ্টিবিদ ও গবেষকদের মতে, নিয়মিত পরিমিত পরিমাণে রুই মাছ খেলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়তে পারে এবং হৃদরোগের ঝুঁকিও কমতে পারে।
রুই মাছ ভিটামিন এ, ডি, ও, ই, ক্যালসিয়াম, জিঙ্ক, সোডিয়াম, পটাসিয়াম এবং আয়রনসহ বিভিন্ন খনিজ উপাদানে সমৃদ্ধ। এছাড়া এতে কোলিন থাকে, যা স্নায়ুতন্ত্রের কার্যকারিতা, ফ্যাটের বিপাক এবং পুষ্টি পরিবহণে সহায়ক।
গবেষণায় দেখা গেছে, রুই মাছের তেলে থাকা ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড রক্তের ক্ষতিকারক কোলেস্টেরল কমাতে সাহায্য করে এবং উপকারী এইচডিএল কোলেস্টেরল বৃদ্ধি করে। ফলে রক্তনালিতে চর্বি জমা কমে এবং হৃদয় সম্পর্কিত ঝুঁকি কমে। উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণেও রুই মাছ সহায়ক।
পুষ্টিবিদরা পরামর্শ দিচ্ছেন, একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের জন্য দৈনিক একটি বড় টুকরা রুই মাছ যথেষ্ট। নিয়মিত শাকসবজি, ফলমূল এবং সুষম খাবারের সঙ্গে রুই মাছ অন্তর্ভুক্ত করলে স্বাস্থ্য ও হৃদয় স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী হবে।
সিএ/এমআর


