সুস্থ জীবনযাপনের জন্য সকালের নাশতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পুষ্টিবিদদের মতে, সকালের খাবারে ডিম থাকলে শরীর পায় প্রয়োজনীয় প্রোটিন ও গুরুত্বপূর্ণ পুষ্টি উপাদান, যা সারাদিনের কাজের শক্তি জোগাতে সহায়তা করে।
ডিম একটি সহজলভ্য ও সাশ্রয়ী খাবার, যার মধ্যে রয়েছে উচ্চমানের প্রোটিন, ভিটামিন, মিনারেল ও স্বাস্থ্যকর চর্বি। সকালে একটি বা দুটি ডিম খেলে দীর্ঘ সময় পেট ভরা থাকে এবং অতিরিক্ত খাওয়ার প্রবণতা কমে। ফলে ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা সহজ হয়।
ডিমে থাকা কোলিন মস্তিষ্কের কার্যকারিতা, স্মৃতিশক্তি ও মনোযোগ বাড়াতে ভূমিকা রাখে। শিক্ষার্থী ও কর্মজীবীদের জন্য এটি বিশেষভাবে উপকারী বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা।
চোখের যত্নেও ডিম কার্যকর। এতে থাকা লুটেইন ও জিয়াজ্যানথিন নামের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট চোখের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সহায়তা করে এবং বয়সজনিত দৃষ্টিশক্তি দুর্বলতার ঝুঁকি কমায়।
ডিমে থাকা ভিটামিন বি–১২ ও রিবোফ্লাভিন শরীরে শক্তি ও কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি করে। পাশাপাশি ভিটামিন ডি ও ক্যালসিয়াম হাড়কে মজবুত করে এবং প্রোটিন পেশি গঠনে সহায়তা করে।
ত্বক ও চুলের যত্নেও ডিমের ভূমিকা রয়েছে। ডিমে থাকা বায়োটিন ও প্রোটিন ত্বক উজ্জ্বল রাখতে এবং চুলের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সাহায্য করে।
তবে যাদের কোলেস্টেরল বা বিশেষ কোনো স্বাস্থ্য সমস্যা রয়েছে, তাদের নিয়মিত ডিম খাওয়ার আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়ার কথা বলেছেন পুষ্টিবিদরা।
সিএ/এমআর


