শীত মৌসুম এলেই ত্বকের স্বাভাবিক আর্দ্রতা কমে যায়। ঠান্ডা বাতাস, কম আর্দ্রতা ও গরম পানির ব্যবহার ত্বককে শুষ্ক ও রুক্ষ করে তোলে। ফলে ত্বকের উজ্জ্বলতা ও কোমলতা হারিয়ে যায়। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই সময়ে বাহ্যিক সাজসজ্জার চেয়ে ত্বককে ভেতর থেকে সুস্থ রাখাই বেশি জরুরি।
শীতকালে বাতাসে আর্দ্রতার ঘাটতির কারণে ত্বকের ওপরের স্তর থেকে দ্রুত পানি বাষ্পীভূত হয়। পাশাপাশি কম পানি পান ও অতিরিক্ত সাবান ব্যবহারে স্কিন ব্যারিয়ার দুর্বল হয়ে পড়ে। এর ফলে ত্বকে টানটান ভাব, চুলকানি ও নিস্তেজতা দেখা দেয়।
ত্বক সুস্থ রাখতে নিয়মিত স্কিনকেয়ার রুটিন অনুসরণ করা প্রয়োজন। মাইল্ড ক্লিনজার দিয়ে ত্বক পরিষ্কার রাখা, গোসলের পরপরই ভালো মানের লোশন ব্যবহার এবং পর্যাপ্ত পানি পান ত্বকের ভেতরের আর্দ্রতা ধরে রাখতে সাহায্য করে। পুষ্টিকর খাবার ত্বকের কোষ পুনর্গঠনে ভূমিকা রাখে।
বিশেষজ্ঞরা জানান, নিয়াসিনামাইডযুক্ত লোশন ত্বকের স্কিন ব্যারিয়ার শক্তিশালী করে এবং শুষ্কতা কমাতে কার্যকর। নিয়মিত যত্ন ও সঠিক অভ্যাসের মাধ্যমে শীতকালেও ত্বক সুস্থ ও সুন্দর রাখা সম্ভব।
সিএ/এমআর


