‘বাংলাদেশের ঐতিহাসিক ও প্রত্নতাত্ত্বিক স্থাপত্য’ শীর্ষক নতুন ডিজাইন ও সিরিজের ১০ টাকা মূল্যমানের ব্যাংক নোট আগামী মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) থেকে বাজারে ছাড়তে যাচ্ছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশ ব্যাংকের ডিপার্টমেন্ট অব কমিউনিকেশন্স অ্যান্ড পাবলিকেশন্স থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বাংলাদেশ ব্যাংক নতুন ডিজাইন ও সিরিজে সব মূল্যমানের (১০০০, ৫০০, ২০০, ১০০, ৫০, ২০, ১০, ৫ ও ২ টাকা) নোট মুদ্রণের উদ্যোগ নিয়েছে। এরই মধ্যে ১ হাজার, ৫০০, ১০০, ৫০ ও ২০ টাকার নতুন নোট বাজারে প্রচলনে এসেছে। এর ধারাবাহিকতায় এবার প্রথমবারের মতো নতুন ডিজাইনের ১০ টাকার নোট ইস্যু করা হচ্ছে।
বাংলাদেশ ব্যাংক জানায়, গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর স্বাক্ষরিত নতুন এই নোটটি প্রাথমিকভাবে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মতিঝিল অফিস থেকে বিতরণ করা হবে। পর্যায়ক্রমে বাংলাদেশ ব্যাংকের অন্যান্য অফিস থেকেও নোটটি বাজারে ছাড়া হবে।
নতুন ১০ টাকার নোটটির আকার ১২৩ মিলিমিটার × ৬০ মিলিমিটার। নোটের সম্মুখভাগের বাম পাশে বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের ছবি এবং মাঝখানে ব্যাকগ্রাউন্ডে জাতীয় ফুল শাপলার চিত্র সংযোজন করা হয়েছে। নোটের পেছন ভাগে মুদ্রিত হয়েছে ‘গ্রাফিতি ২০২৪’-এর চিত্র। পুরো নোটে গোলাপি রঙের আধিক্য দেখা যাবে।
নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্যের মধ্যে রয়েছে—জলছাপে রয়েল বেঙ্গল টাইগারের মুখ, ইলেকট্রোটাইপ জলছাপে ‘১০’, বাংলাদেশ ব্যাংকের মনোগ্রাম, ২ মিলিমিটার চওড়া রং পরিবর্তনশীল নিরাপত্তা সুতা, সি-থ্রু ইমেজ ও মাইক্রোপ্রিন্ট। নোটটি নাড়াচাড়া করলে নিরাপত্তা সুতার রং লাল থেকে সবুজে পরিবর্তিত হবে।
বাংলাদেশ ব্যাংক আরও জানায়, নতুন ১০ টাকার নোট বাজারে এলেও বর্তমানে প্রচলিত সব কাগুজে নোট ও ধাতব মুদ্রা আগের মতোই বৈধ থাকবে।
এ ছাড়া মুদ্রা সংগ্রাহকদের জন্য ১০ টাকার নমুনা (স্পেসিমেন) নোটও মুদ্রণ করা হয়েছে। এসব নমুনা নোট বিনিময়যোগ্য নয় এবং নির্ধারিত মূল্যে মিরপুরে অবস্থিত টাকা জাদুঘর বিভাগ থেকে সংগ্রহ করা যাবে।
সিএ/এএ


