ডায়েট ও ক্যালোরির ঘাটতি:
খাদ্যতালিকাগত পরিবর্তনের মাধ্যমে ক্যালোরি কমানো ওজন কমানোর অন্যতম প্রধান উপায়। ফল, শাকসবজি, চর্বিহীন প্রোটিন ও পুরো শস্য খাদ্য গ্রহণ ওজন নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।
বিরতিহীন উপবাস:
বিরতিহীন উপবাস হরমোন নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে, যা ওজন কমানোর দিকে পরিচালিত করে।
জীবনধারার পরিবর্তন:
পর্যাপ্ত ঘুম, মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণ ও স্বাস্থ্যকর অভ্যাস ওজন কমাতে সহায়ক।
সারাদিন সক্রিয় থাকা:
ছোট ছোট দৈনন্দিন কাজও ব্যায়ামের বিকল্প হিসেবে কাজ করে। উদাহরণস্বরূপ, সিঁড়ি বেয়ে ওঠা, দাঁড়িয়ে কাজ করা বা হালকা গৃহস্থালির কাজ।
চিকিৎসা ও ওষুধ:
যারা শারীরিকভাবে ব্যায়াম করতে পারছেন না, তাদের জন্য প্রেসক্রিপশন ওষুধ বা ব্যারিয়াট্রিক সার্জারি কার্যকর বিকল্প হতে পারে। তবে চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে এগুলো গ্রহণ করা জরুরি।
সিএ/এমআর


