চলতি বছরের হজ কার্যক্রম নির্বিঘ্ন ও সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন করতে হজ ফ্লাইট পরিচালনায় নতুন নির্দেশনা দিয়েছে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়।
মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, আগামী ১৮ এপ্রিল থেকে শুরু হচ্ছে চলতি বছরের হজ ফ্লাইট। এ উপলক্ষ্যে হজ এজেন্সি এবং হজযাত্রী পরিবহনকারী এয়ারলাইন্সগুলোকে সৌদি সরকারের নির্দেশনা ও ‘হজ প্যাকেজ ও গাইডলাইন, ২০২৬’ কঠোরভাবে অনুসরণ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
রোববার (১১ জানুয়ারি) এ সংক্রান্ত নির্দেশনা দিয়ে হজ এজেন্সি মালিকদের পাশাপাশি হজযাত্রী পরিবহনকারী তিনটি এয়ারলাইন্সের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে চিঠি পাঠিয়েছে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়। চিঠিতে ১৪৪৭ হিজরির হজ ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত বিস্তারিত দিকনির্দেশনা তুলে ধরা হয়েছে।
মন্ত্রণালয়ের চিঠিতে জানানো হয়, সৌদি সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী একই সার্ভিস কোম্পানির আওতাভুক্ত হজযাত্রীদের একই ফ্লাইটে সৌদি আরবে পাঠাতে হবে। এর মাধ্যমে হজযাত্রীদের সার্বিক ব্যবস্থাপনা সহজ ও সমন্বিত করা সম্ভব হবে বলে মনে করছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
‘হজ প্যাকেজ ও গাইডলাইন, ২০২৬’ অনুযায়ী, প্রত্যেক হজ এজেন্সিকে তাদের মোট হজযাত্রীর অন্তত ২০ শতাংশকে প্রি-হজ ফ্লাইটের মধ্যবর্তী পর্যায়ে সৌদি আরবে পাঠাতে হবে। পাশাপাশি প্রি-হজ ফ্লাইটের প্রথম ও শেষ পর্যায়ে অবশিষ্ট হজযাত্রীর ৩০ থেকে ৫০ শতাংশ পাঠানোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
এ বিষয়ে মন্ত্রণালয় আরও স্পষ্ট করেছে যে, কোনো এজেন্সির ক্ষেত্রে প্রি-হজ ফ্লাইটের প্রথম বা শেষ পর্যায়ে ৩০ শতাংশের কম কিংবা ৫০ শতাংশের বেশি টিকিট ইস্যু করা যাবে না। নির্ধারিত সীমার বাইরে গিয়ে টিকিট ইস্যু করলে তা গাইডলাইন লঙ্ঘন হিসেবে বিবেচিত হবে।
এ অবস্থায়, নির্ধারিত নির্দেশনা অনুযায়ী ফ্লাইট ব্যবস্থাপনা ও টিকিট ইস্যুর জন্য প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি গ্রহণ করতে সংশ্লিষ্ট হজ এজেন্সি ও এয়ারলাইন্সগুলোর প্রতি অনুরোধ জানিয়েছে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়।
সিএ/এসএ


