সৌদি আরব ও পাকিস্তানের নিরাপত্তা জোটে তৃতীয় দেশ হিসেবে যুক্ত হতে যাচ্ছে তুরস্ক।
শুক্রবার (০৯ জানুয়ারি) যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সংবাদমাধ্যম ব্লুমবার্গের বরাত দিয়ে পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম জিও নিউজ এ তথ্য জানিয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সৌদি আরব ও পাকিস্তানের সঙ্গে তুরস্কের চলমান আলোচনা এখন চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছেছে।
ব্লুমবার্গের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, স্ট্র্যাটেজিক মিউচ্যুয়াল ডিফেন্স এগ্রিমেন্ট বা এসডিএমএ জোটে অন্তর্ভুক্তি নিয়ে গত অক্টোবর মাস থেকে সৌদি আরব ও পাকিস্তানের কর্মকর্তাদের সঙ্গে তুরস্কের আলোচনা চলছিল। আলোচনার প্রক্রিয়া শেষ হলে আনুষ্ঠানিকভাবে এই নিরাপত্তা জোটে যোগ দেবে তুরস্ক।
গত বছরের ১৭ সেপ্টেম্বর সৌদি আরব ও পাকিস্তানের মধ্যে এসডিএমএ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। যদিও চুক্তির বিস্তারিত শর্ত প্রকাশ করা হয়নি, তবে দুই দেশের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, চুক্তিভুক্ত কোনো দেশের ওপর বহিঃশক্তির হামলা হলে অপর দেশ সর্বাত্মকভাবে আক্রান্ত দেশের পাশে দাঁড়াবে।
এই চুক্তির একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হিসেবে পাকিস্তানের পরমাণু সক্ষমতার বিষয়টি আলোচনায় এসেছে। পাকিস্তান বিশ্বের একমাত্র মুসলিম দেশ, যার পরমাণু অস্ত্র রয়েছে। এসডিএমএ চুক্তির আওতায় এই পরমাণু সক্ষমতাকেও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। পাশাপাশি প্রায় ৬ লাখ সদস্যের সেনাবাহিনী নিয়ে পাকিস্তান বিশ্বের শক্তিশালী সামরিক বাহিনীগুলোর একটি হিসেবে বিবেচিত।
চুক্তি স্বাক্ষরের দুই দিন পর ১৯ সেপ্টেম্বর এক সাক্ষাৎকারে পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘এই চুক্তিটি ন্যাটোর আদলে তৈরি করা হয়েছে। এটি প্রতিরক্ষামূলক, আক্রমণাত্মক নয়। কোনো দেশের বিরুদ্ধে আগ্রাসনের সুযোগ এখানে নেই। তবে সৌদি আরব বা পাকিস্তানের ওপর হামলা হলে সম্মিলিতভাবে তা প্রতিহত করা হবে।’
সূত্র: ব্লুমবার্গ
সিএ/এসএ


