বাংলাদেশ ও ভারতের সম্পর্কের টানাপোড়েনের মধ্যেই ভারতে ম্যাচ পরিচালনার দায়িত্ব পালন করছেন বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক আম্পায়ার শরফুদ্দৌলা ইবনে শহীদ সৈকত।
নিউজিল্যান্ড ও ভারতের মধ্যকার তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজের প্রথম ম্যাচে তিনি তৃতীয় আম্পায়ারের ভূমিকায় আছেন। ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হচ্ছে ভদোদারার বিসিএ স্টেডিয়ামে।
সাধারণ সময়ে ভারতে বাংলাদেশের কোনো আম্পায়ারের ম্যাচ পরিচালনা করা খুব একটা আলোচনার বিষয় না হলেও সাম্প্রতিক প্রেক্ষাপটে বিষয়টি বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে। আইপিএল থেকে মোস্তাফিজুর রহমানকে বাদ দেওয়ার ঘটনা এবং এর জেরে দুই দেশের সম্পর্কের অবনতির কারণে ক্রিকেট অঙ্গনে তৈরি হয়েছে উত্তেজনা।
কলকাতা নাইট রাইডার্সের স্কোয়াড থেকে মোস্তাফিজকে বাদ দেওয়ার পর নিরাপত্তা শঙ্কার কথা তুলে ধরে ভারতে অনুষ্ঠিতব্য টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশ নেওয়া নিয়ে অনাগ্রহ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড। বিসিবির পক্ষ থেকে ম্যাচগুলো ভারতের বাইরে আয়োজনের দাবিও তোলা হয়েছে।
এই দাবির বিষয়ে বিসিবি একাধিকবার আইসিসিকে চিঠি পাঠিয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত কোনো চূড়ান্ত জবাব পায়নি বোর্ড। বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল জানিয়েছেন, সোম বা মঙ্গলবারের মধ্যে আইসিসির কাছ থেকে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত আসতে পারে।
বর্তমান সূচি অনুযায়ী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের চারটি ম্যাচের মধ্যে তিনটি হওয়ার কথা কলকাতার ইডেন গার্ডেন্সে এবং একটি মুম্বাইয়ে। ম্যাচগুলো ভারতের অন্য কোনো ভেন্যুতে সরিয়ে নিলে বাংলাদেশ খেলবে কি না, সে প্রশ্নে বুলবুল বলেছেন, ভারতের অন্য ভেন্যু হলেও দেশ তো ভারতই। এ বিষয়ে কোনো একক সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে না এবং সরকারের সঙ্গে আলোচনা করেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হবে।
এই প্রেক্ষাপটে সৈকতের ভারতে ম্যাচ পরিচালনা আলাদা করে নজর কাড়ছে। তিনি বিসিবির চুক্তিবদ্ধ আম্পায়ার এবং আইসিসির এলিট প্যানেলের সদস্য। বিসিবির আম্পায়ার্স কমিটির চেয়ারম্যান জানিয়েছেন, আইসিসির পক্ষ থেকে দায়িত্ব দেওয়া হলে সৈকতকে ফিরিয়ে আনার কোনো এখতিয়ার বোর্ডের নেই। সে কারণে ছাড়পত্রের বিষয়টিও প্রযোজ্য নয়।
সিএ/এসএ


