আপনি ঘুমানোর আগে শেষ কাজ হিসেবে কী করেন? অধিকাংশ মানুষের উত্তর হয়—ফোন ব্যবহার, সোশ্যাল মিডিয়া দেখা বা কল/মেসেজ করা। এটি ক্ষতিকর হতে পারে, বিশেষ করে যদি প্রতিদিন নিয়মিত করা হয়।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, স্মার্টফোনের স্ক্রিন নীল আলো নির্গত করে, যা মস্তিষ্ককে “দিন চলছে” ভাবতে বাধ্য করে। ফলে মেলাটোনিন হ্রাস পায় এবং স্বাভাবিক ঘুমের ছন্দ বিঘ্নিত হয়। মাত্র ২০-৩০ মিনিট স্ক্রোল করলেও ঘুম বিলম্বিত হতে পারে।
শুধু ঘুমের ব্যাঘাত নয়, রাতের স্ক্রিন ব্যবহার অনিদ্রার কারণ হতে পারে। উজ্জ্বল আলো এবং উদ্দীপক কন্টেন্ট মস্তিষ্ককে সক্রিয় রাখে, যা গভীর ও REM ঘুম কমিয়ে দেয়।
কম ঘুম স্মৃতিশক্তি, মনোযোগ, মেজাজ ও চিন্তা প্রক্রিয়াকে প্রভাবিত করে। দীর্ঘমেয়াদে উদ্বেগ, খিটখিটে মেজাজ এবং ক্লান্তি দেখা দিতে পারে। এছাড়া চোখের চাপ, মাথাব্যথা ও সারাদিনের ক্লান্তি বৃদ্ধি পায়।
ঘুমের অভাব ও স্ক্রিন সময় বৃদ্ধি ওজন বৃদ্ধি, রক্তচাপ বৃদ্ধি, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা হ্রাস এবং মানসিক চাপের সঙ্গে সম্পর্কিত। তাই ঘুমের আগে স্ক্রিন ব্যবহারে সীমাবদ্ধতা রাখা স্বাস্থ্যকর।
সিএ/এমআর


