স্মার্টফোনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যেই নির্মাতা সংস্থাগুলো নতুন নীতিমালা ও পরামর্শ নিয়ে ভাবছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সাইবার চক্রের প্রতারণা থেকে ব্যবহারকারীদের তথ্য সুরক্ষিত রাখতে তিনটি মূল বিষয় নিয়ন্ত্রণের আওতায় আনা হবে।
প্রথমত, কমিউনিকেশন সিকিউরিটি নীতির মাধ্যমে অ্যাপের ক্যামেরা ও মাইক্রোফোন ব্যবহারে কঠোর নিয়ন্ত্রণ করা হবে। এর মাধ্যমে কোনো অ্যাপ যেন নিজের ইচ্ছামতো ক্যামেরা বা মাইক্রোফোন ব্যবহার করতে না পারে। নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের মতে, এতে ব্যবহারকারীর গোপনীয়তা ও তথ্য ফাঁসের সম্ভাবনা অনেকাংশে কমে যাবে।
দ্বিতীয়ত, সফটওয়্যার যাচাই ও সোর্স কোড বিশ্লেষণ চালু করা হবে। স্মার্টফোনে চলমান প্রতিটি প্রোগ্রামিং বা অ্যাপের কার্যকারিতা ল্যাবে পরীক্ষা করা হবে। প্রয়োজনে তদন্তও করা হবে। পাশাপাশি প্রি-ইনস্টল করা অ্যাপ সরানোর সুযোগ রাখা হবে। নতুন আপডেট বা নিরাপত্তা পরীক্ষার তথ্য স্থানীয় নিরাপত্তা সংস্থার সঙ্গে শেয়ার করার নির্দেশ দেওয়া হবে।
তৃতীয়ত, স্মার্টফোন নির্মাতারা জানাচ্ছেন, নিরাপত্তার কারণে সোর্স কোড সম্পূর্ণভাবে শেয়ার করা সম্ভব নয়। আগে অ্যাপল এমন দাবি নাকচ করেছে। কিছু কোম্পানি বলেছে, নিয়মিত ম্যালওয়্যার স্ক্যানিং ব্যাটারির ওপর প্রভাব ফেলে। এছাড়া অনেক ফোনের স্টোরেজ এক বছরের তথ্য সংরক্ষণের জন্য পর্যাপ্ত নয়। এই সীমাবদ্ধতাই স্মার্টফোনে সমস্যা তৈরি হওয়ার একটি প্রধান কারণ।
সিএ/এসএ


