বিয়ের সময় কাবিননামা পূরণ একটি গুরুত্বপূর্ণ আইনি ও ধর্মীয় প্রক্রিয়া হলেও অনেক ক্ষেত্রে এতে ভুল-ত্রুটি ঘটে। এসব ভুলের পেছনে মূলত অজ্ঞতা, সামাজিক সংকোচ এবং প্রচলিত গৎবাঁধা পদ্ধতির প্রভাব কাজ করে।
অনেকেই কাবিননামার গুরুত্ব সম্পর্কে সচেতন না থাকায় ফরমটি ভালোভাবে না পড়ে স্বাক্ষর করে দেন। ফলে পরবর্তীতে তালাক বা ডিভোর্স সংক্রান্ত জটিলতা দেখা দেয় এবং আইনি ও ধর্মীয় ব্যাখ্যার মধ্যে ভিন্নতা তৈরি হয়।
সামাজিকভাবে বিয়ের আসরে পাত্রের মতামত প্রকাশে সংকোচ কাজ করে। এর ফলে কাজীরা কোনো ভুল তথ্য লিখলেও তাৎক্ষণিকভাবে সংশোধনের সুযোগ নেওয়া হয় না।
আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ হলো, কিছু কাজী নির্দিষ্ট গৎবাঁধা ভাষা ব্যবহার করে কাবিননামা পূরণ করেন। বিশেষ করে ১৮ নম্বর ধারা পূরণের ক্ষেত্রে অনেক সময় নির্দিষ্ট বাক্য ব্যবহার করা হয়, যা সব ক্ষেত্রে উপযুক্ত নাও হতে পারে।
কাবিননামার ধারাগুলো মূলত বর ও কনের স্বার্থ রক্ষার জন্য নির্ধারিত। তাই উভয় পক্ষ নিজেদের প্রয়োজন অনুযায়ী শর্ত যুক্ত করতে পারেন। এই বিষয়ে অন্য কারও হস্তক্ষেপের সুযোগ নেই।
বিশেষজ্ঞরা পরামর্শ দিয়েছেন, কাবিননামা পূরণের আগে উভয় পক্ষের অভিভাবকদের মধ্যে আলোচনা করা এবং প্রতিটি ধারা ভালোভাবে পড়ে বুঝে স্বাক্ষর করা উচিত। এতে ভবিষ্যতের জটিলতা অনেকাংশে এড়ানো সম্ভব।
সিএ/এমআর


