ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মাধ্যমে নতুন জনপ্রতিনিধিরা রাষ্ট্র পরিচালনার গুরুদায়িত্ব পেয়েছেন। এটি মহান আল্লাহর পক্ষ থেকে গুরুত্বপূর্ণ আমানত। কোরআনে আল্লাহ বলেন, নিশ্চয়ই আল্লাহ তোমাদের আদেশ দেন, তোমরা আমানত তার হকদারের কাছে পৌঁছে দাও এবং যখন মানুষের মধ্যে বিচার করবে, তখন ন্যায়ের সঙ্গে বিচার করবে। (সুরা: নিসা)
নবনির্বাচিত প্রতিনিধিদের দায়িত্ব হলো দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করা, সরকারি নিয়োগ ও পদোন্নতিতে মেধা ও যোগ্যতাকে অগ্রাধিকার দেওয়া। অযোগ্য ব্যক্তিকে দায়িত্ব দেওয়াকে আমানতের খেয়ানত হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
অর্থনৈতিক স্বনির্ভরতা নিশ্চিত করা, তরুণদের দক্ষতা উন্নয়ন ও উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তোলা, ভেজাল খাদ্য ও ওষুধ প্রতিরোধ করা এবং নিরাপদ স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা জনপ্রতিনিধিদের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব।
ন্যায়বিচার রাষ্ট্রের মেরুদণ্ড। বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড, গুম এবং রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত বিচার ব্যবস্থা ছাড়া শান্তি প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়। জনগণের প্রতি দায়বদ্ধতা ও শক্তিশালী আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখা তাদের কর্তব্য।
রাসুল (সা.) বলেছেন, ‘তোমাদের প্রত্যেকেই একেকজন রাখাল এবং প্রত্যেককেই তার অধীনদের সম্পর্কে জিজ্ঞাসিত হবে’। তাই ক্ষমতাকে আমানত হিসেবে গ্রহণ ও দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে একটি সমৃদ্ধ রাষ্ট্র গঠন সম্ভব।
সিএ/এমআর


