দৈনন্দিন খাদ্যতালিকায় দুধ একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। চা, কফি, মিষ্টান্নসহ বিভিন্ন খাবারে এর ব্যবহার থাকায় দুধ সঠিকভাবে সংরক্ষণ করা অত্যন্ত জরুরি। ভুল পদ্ধতিতে সংরক্ষণ করলে দুধ দ্রুত নষ্ট হয়ে যেতে পারে এবং স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি হতে পারে।
দুধ সংরক্ষণের দুটি প্রচলিত পদ্ধতি রয়েছে। একটি হলো দুধ জ্বাল দেওয়া বা পাস্তুরাইজ করা, অন্যটি হলো প্যাকেটসহ ফ্রিজে রাখা। জ্বাল দেওয়া দুধ উচ্চ তাপে গরম করার ফলে এতে থাকা ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস হয় এবং এটি তুলনামূলক বেশি সময় নিরাপদ থাকে। তবে অতিরিক্ত গরম করলে দুধের স্বাদ পরিবর্তিত হতে পারে এবং কিছু পুষ্টিগুণ নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা থাকে।
জ্বাল দেওয়া দুধ ঠান্ডা হওয়ার আগে ঢেকে রাখা জরুরি। প্রয়োজন অনুযায়ী পরিমাণমতো দুধ জ্বাল দেওয়া উত্তম। দীর্ঘ সময় সংরক্ষণের ক্ষেত্রে জ্বাল দেওয়া দুধ ফ্রিজে রাখা কার্যকর।
অন্যদিকে প্যাকেটসহ দুধ ফ্রিজে রাখলে এর স্বাদ ও পুষ্টিগুণ প্রায় অপরিবর্তিত থাকে। ফ্রিজের কেন্দ্রীয় শেলফে রাখা হলে দুধ দীর্ঘ সময় সতেজ থাকে। খোলা দুধ অবশ্যই ঢেকে রাখতে হবে এবং সাধারণত তিন থেকে চার দিনের মধ্যে ব্যবহার করা উচিত।
ব্যবহারের সময় বিবেচনায় পদ্ধতি নির্বাচন করা গুরুত্বপূর্ণ। স্বল্প সময়ের জন্য প্যাকেটসহ ফ্রিজে রাখা সহজ ও কার্যকর, আর দীর্ঘ সময়ের জন্য জ্বাল দিয়ে ফ্রিজে রাখা নিরাপদ। এছাড়া দুধ কখনো উষ্ণ স্থানে রাখা উচিত নয় এবং অন্য খাবারের গন্ধ থেকে দূরে রাখা প্রয়োজন।
দুধ সংরক্ষণের ক্ষেত্রে সচেতনতা বজায় রাখলে এর পুষ্টিগুণ ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব।
সিএ/এমআর


