শিশুদের কাছে কার্টুন বিনোদনের অন্যতম প্রধান মাধ্যম। এটি তাদের আনন্দ দেয়, শেখায় এবং কল্পনার জগতে নিয়ে যায়। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অতিরিক্ত কার্টুন দেখা শিশুদের মানসিক ও সামাজিক বিকাশে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।
কার্টুনের মাধ্যমে শিশুরা ভাষা, রং ও সমস্যা সমাধানের মতো নানা বিষয় শিখতে পারে। এটি তাদের গল্পের প্রতি আগ্রহও বাড়ায়। তবে কার্টুন দেখার সময়সীমা ও ধরন নিয়ন্ত্রণ না করলে সমস্যা তৈরি হতে পারে।
চিকিৎসকদের মতে, দ্রুতগতির কার্টুন দীর্ঘ সময় দেখলে শিশুদের মনোযোগে ব্যাঘাত ঘটে। বিশেষ করে ২ থেকে ৫ বছর বয়সি শিশুদের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত স্ক্রিন টাইম তাদের ভাষা শেখা, স্মৃতি গঠন ও সামাজিক আচরণে প্রভাব ফেলতে পারে।
অনেক ক্ষেত্রে শিশুরা কার্টুনের চরিত্র অনুকরণ করতে শুরু করে, যা তাদের আচরণে পরিবর্তন আনে। বাস্তব ও কল্পনার পার্থক্য বুঝতেও সমস্যা হতে পারে।
অতিরিক্ত কার্টুন দেখার ফলে শিশুদের মধ্যে উদ্বেগ, লাজুকতা এবং সামাজিক কর্মকাণ্ডে অনাগ্রহ দেখা দিতে পারে। ফলে খেলাধুলা ও পারিবারিক যোগাযোগ কমে যায়।
বিশেষজ্ঞরা পরামর্শ দিচ্ছেন, শিশুদের জন্য ধীরগতির ও শিক্ষামূলক কার্টুন বেছে নেওয়া উচিত। একইসঙ্গে দৈনিক স্ক্রিন টাইম সীমিত রাখা এবং খেলাধুলা ও সামাজিক কার্যক্রমে অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা জরুরি।
সিএ/এমআর


