আধুনিক নগর জীবনে বাসস্থানের পরিধি ছোট হলেও সঠিক অন্দরসজ্জার মাধ্যমে একটি বসার ঘরকেও আরামদায়ক ও আকর্ষণীয় করে তোলা সম্ভব। নান্দনিকতা ও স্বস্তির সমন্বয় ঘটিয়ে ছোট জায়গাকেও প্রশান্তির আবাসে রূপ দেওয়া যায়।
বর্তমান অন্দরসজ্জায় হালকা নকশার আসবাব এবং প্রকৃতির ছোঁয়া গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। ঘরের পরিসর ছোট হলেও পরিকল্পিত সাজসজ্জায় সেটিকে বড় ও স্বাচ্ছন্দ্যময় মনে হতে পারে।
আসবাব নির্বাচনের ক্ষেত্রে উচ্চতার বিষয়টি গুরুত্ব পাচ্ছে, যাতে বসা বা ওঠার সময় কোনো অস্বস্তি না হয়। ভালো মানের ফোমযুক্ত এবং ইংরেজি এল আকৃতির সোফা বর্তমানে বেশ জনপ্রিয়, যা একই সঙ্গে বসা ও শোয়ার কাজে ব্যবহার করা যায়।
মাল্টিপারপাস সোফার ব্যবহারও বাড়ছে, যা প্রয়োজনে অতিথির জন্য বিছানা হিসেবেও কাজে লাগে। এছাড়া যারা ঘরোয়া পরিবেশ পছন্দ করেন, তারা মেঝেতে কুশন ব্যবহার করে বসার ব্যবস্থা করতে পারেন।
ঘরের সৌন্দর্য বাড়াতে ইনডোর প্ল্যান্টের ব্যবহার বিশেষভাবে কার্যকর। এসব গাছ ঘরের বাতাস সতেজ রাখার পাশাপাশি চোখের জন্যও আরামদায়ক পরিবেশ তৈরি করে।
একটি ঘরের ব্যক্তিত্ব ফুটিয়ে তুলতে দেয়ালে শিল্পসম্মত উপকরণ বা বইয়ের তাক যুক্ত করা যেতে পারে। পাশাপাশি আলো-বাতাসের সঠিক ব্যবহার অন্দরসজ্জার পূর্ণতা এনে দেয়।
প্রাকৃতিক আলো প্রবেশের সুযোগ থাকলে ঘর আরও উজ্জ্বল ও প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে। এছাড়া কৃত্রিম আলোর ক্ষেত্রেও বৈচিত্র্য আনা যায়। পড়ার জন্য নির্দিষ্ট আলো এবং পুরো ঘর আলোকিত করার জন্য আলাদা ব্যবস্থা রাখা উপকারী।
সঠিক পরিকল্পনা, মানানসই আসবাব এবং প্রকৃতির সংযোজন একটি ছোট ঘরকেও আরামদায়ক ও নান্দনিক করে তুলতে পারে।
সিএ/এমআর


