সন্তানের জন্মের ছয় মাস পেরোতেই বাবা-মায়ের মনে নানা প্রশ্ন ঘুরপাক খেতে শুরু করে। মাতৃদুগ্ধের পাশাপাশি শিশুকে বাড়তি খাবার হিসেবে কী দেওয়া উচিত—এ নিয়ে দ্বিধায় পড়েন অনেকেই। সময়ের অভাব কিংবা পুষ্টির চিন্তায় বাজারচলতি কৌটোর খাবারের ওপর নির্ভর করেন অনেকে। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, এসব প্রক্রিয়াজাত খাবারে প্রিজারভেটিভ, অতিরিক্ত সোডিয়াম বা কৃত্রিম সুগন্ধি থাকার আশঙ্কা থাকে, যা দীর্ঘমেয়াদে শিশুর জন্য ক্ষতিকর হতে পারে।
চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী, শিশুর সুস্থতার জন্য বাড়িতে তৈরি বেবি ফুডের বিকল্প নেই। খুদের রসুইঘরে পুষ্টির জোগান দিতে খুব সাধারণ কিছু উপকরণই যথেষ্ট। বাড়িতেই সহজে তৈরি করা যায় গাজর কিংবা কলার পিউরি।
গাজরের পিউরি বানাতে গাজর ভালো করে ধুয়ে খোসা ছাড়িয়ে ছোট টুকরো করতে হয়। এরপর ভাপে বা জলে সেদ্ধ করে ব্লেন্ডারে মসৃণ করে নিতে হয়। প্রয়োজন অনুযায়ী সামান্য দুধ বা জল মেশানো যায়। গাজরে থাকা বিটা-ক্যারোটিন শিশুর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সহায়ক।
কলার পিউরির জন্য পাকা কলা চামচ দিয়ে ভালো করে পিষে দুধ বা জল মিশিয়ে নরম মিশ্রণ তৈরি করা যায়। এটি হজমে সহজ এবং প্রাকৃতিকভাবে মিষ্টি হওয়ায় শিশুরা সহজেই গ্রহণ করে।
তবে শিশুর খাদ্যতালিকায় নতুন কোনো খাবার যোগ করার আগে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি। পাশাপাশি শিশুর খাবারে অতিরিক্ত নুন বা চিনি ব্যবহার না করার এবং রান্নার সময় পরিচ্ছন্নতার প্রতি বিশেষ নজর রাখার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।
সিএ/এমআর


