যশোর–নড়াইল অঞ্চলসহ খুলনা বিভাগের বিভিন্ন জেলায় রসপাকান পিঠা একটি পরিচিত ও জনপ্রিয় খাবার। ময়দার পাতলা রুটির ভেতরে কোরানো নারকেল ও চিনির পুর দিয়ে তৈরি এই পিঠা অতিথি আপ্যায়ন ও বিয়েবাড়ির বিশেষ পদ হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে পরিবেশিত হয়ে আসছে। সহজ উপকরণ আর স্বাদের বৈচিত্র্যের কারণে শীতের সময় এই পিঠার কদর বেশি।
রান্নাবিষয়ক বিশেষজ্ঞদের মতে, রসপাকান পিঠার স্বাদ নির্ভর করে মূলত নারকেল ও চিনির সঠিক মিশ্রণের ওপর। ময়দার খোলস যত পাতলা ও সমান হয়, পিঠার স্বাদ তত ভালো হয়। যশোর–নড়াইল অঞ্চলের গ্রামবাংলায় পারিবারিক আয়োজন কিংবা উৎসবে এই পিঠা তৈরির প্রচলন এখনও বেশ শক্ত অবস্থানে রয়েছে।
উপকরণ হিসেবে প্রয়োজন হয় ময়দা দেড় কাপ, তেল দুই টেবিল চামচ, লবণ আধা চা–চামচ, চিনি এক চা–চামচ, কুসুম গরম পানি প্রয়োজনমতো, কোরানো নারকেল দুই কাপ এবং চিনি এক কাপ।
প্রণালির ক্ষেত্রে প্রথমে নারকেল ও চিনি বাদে বাকি উপকরণ দিয়ে ময়ান তৈরি করে কুসুম গরম পানিতে ভালোভাবে মথে কিছুক্ষণ ঢেকে রাখতে হয়। এরপর আলাদা পাত্রে নারকেল ও চিনি আলতো হাতে মিশিয়ে নিতে হয়। মথে রাখা ময়দা থেকে পাতলা রুটি বেলে এক পাশে নারকেল–চিনির পুর দিয়ে পুলি পিঠার মতো করে মুখ আটকে নিতে হয়। পরে ডুবোতেলে ভেজে নিলেই প্রস্তুত হয় রসপাকান পিঠা।
সিএ/এমআর


