মিষ্টি স্বাদ, জেলির মতো নরম গঠন এবং রসুনের তীব্র গন্ধহীন এক বিস্ময়কর খাবার হলো ব্ল্যাক গার্লিক। সাধারণ সাদা রসুনকে কয়েক সপ্তাহ ধরে নির্দিষ্ট তাপমাত্রা ও আর্দ্রতায় রাখার ফলে রাসায়নিক পরিবর্তনের মাধ্যমে এটি কালচে রঙ ধারণ করে। স্বাস্থ্য সচেতন মানুষের কাছে এটি জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে।
ব্ল্যাক গার্লিকের স্বাদ ও গন্ধ সাধারণ রসুনের মতো ঝাঁঝালো নয়। এতে বালসামিক ভিনেগারের মতো হালকা মিষ্টি স্বাদ থাকে এবং খাওয়ার পর মুখে দুর্গন্ধও হয় না। কাঁচা রসুনে থাকা ‘অ্যালিসিন’ ব্ল্যাক গার্লিকে রূপান্তরিত করে ‘এস-অ্যালিল সিস্টাইন’ নামক স্থিতিশীল অ্যান্টি-অক্সিডেন্টে, যা সহজে শরীরে শোষিত হয়।
পুষ্টিগত উপকারিতার মধ্যে রয়েছে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি, প্রদাহ কমানো, হৃদরোগ ঝুঁকি হ্রাস এবং লিভারের সুরক্ষা। এছাড়া এতে ফ্রি র্যাডিক্যাল ধ্বংস করতে সক্ষম অ্যান্টি-অক্সিডেন্টও থাকে। যারা গ্যাস্ট্রিক বা এসিডিটির সমস্যায় ভুগেন, তাদের জন্য ব্ল্যাক গার্লিক হজমবান্ধব।
সেবনের জন্য দিনে এক থেকে দুই কোয়া খাওয়া যথেষ্ট। সরাসরি খাওয়া যায় বা রান্নায় ব্যবহার করা যেতে পারে। তবে যারা রক্ত পাতলা করার ওষুধ খান, তাদের আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। বিশেষজ্ঞরা মনে করান, ব্ল্যাক গার্লিক কোনো রোগের চিকিৎসার বিকল্প নয়; এটি সুষম খাদ্যাভ্যাসের অংশ মাত্র।
সিএ/এমআর


