ইগো বা অহংকার নিয়ন্ত্রণে না থাকলে তা মানসিক অশান্তি ও সম্পর্কের টানাপোড়েনের কারণ হয়ে উঠতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, বিনয়ী ও স্থিতিশীল জীবনযাপনের জন্য ইগো নিয়ন্ত্রণ করা অত্যন্ত জরুরি। কিছু সচেতন অভ্যাসের মাধ্যমেই অহংকারকে নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব।
প্রথমত, কোন বিষয়গুলো ইগো বাড়িয়ে দেয় তা চিহ্নিত করা জরুরি। তুলনা, নিজেকে সঠিক প্রমাণের তাগিদ কিংবা সমালোচনায় অতিরিক্ত প্রতিক্রিয়া—এসব মুহূর্তে আত্মসংযম প্রয়োজন। নিজের সীমাবদ্ধতা স্বীকার করতে পারলে ইগো কমে আসে।
শেখার মানসিকতা বজায় রাখাও গুরুত্বপূর্ণ। নিজেকে সবসময় শিক্ষানবিস ভাবলে অহংকার জায়গা পায় না। কৌতূহল ও ভুল স্বীকার করার মানসিকতা মানুষকে আরও পরিণত করে তোলে।
অন্যদের সেবায় নিজেকে নিয়োজিত রাখলে ইগো স্বাভাবিকভাবেই কমে যায়। সদয় কথা, সহানুভূতিশীল আচরণ কিংবা সামান্য সাহায্যও অন্যের জীবনে ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।
মননশীলতা চর্চার মাধ্যমে নিজের চিন্তা ও অনুভূতি পর্যবেক্ষণ করা সম্ভব হয়। এতে ‘আমি সেরা’ বা ‘সবাই আমাকে দেখুক’—এ ধরনের মানসিকতা কমে আসে।
সবশেষে, নিজের উদ্দেশ্য নিয়ে ভাবা জরুরি। স্বীকৃতি বা প্রশংসার পেছনে না ছুটে নিজের দায়িত্ব ও কাজের প্রতি মনোযোগী হলে ইগো নিয়ন্ত্রণে থাকে এবং মানসিক প্রশান্তি বাড়ে।
সিএ/এমআর


