মানসিক স্বাস্থ্যের উন্নয়নে অভিনব উদ্যোগ নিয়েছে স্পেনের বার্সেলোনার দুটি হাসপাতাল। রোগীদের মানসিক চাপ কমাতে এবং মন ভালো রাখতে হাসপাতালে আনা হচ্ছে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত থেরাপি ডগ। আদুরে এই প্রাণীদের উপস্থিতিতে রোগী, স্বজন ও স্বাস্থ্যকর্মীদের মধ্যেও ইতিবাচক প্রভাব দেখা যাচ্ছে।
কোভিড পরবর্তী সময়ে একাকীত্ব দূর করতে অনেকেই কুকুর পোষা শুরু করেন। গবেষণায় দেখা গেছে, প্রাণীর সান্নিধ্য মানুষের মানসিক প্রশান্তি বাড়ায় এবং শারীরিক সুস্থতাতেও সহায়ক ভূমিকা রাখে। এ কারণেই বিভিন্ন দেশে হাসপাতাল, বৃদ্ধাশ্রম ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে থেরাপি ডগ ব্যবহারের প্রবণতা বাড়ছে।
বার্সেলোনার এক হাসপাতালে ভর্তি জোয়েল বুয়েনো নামের এক রোগী কুকুর দুটিকে দেখে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। তিনি জানান, কুকুরগুলোর উপস্থিতি তাকে মানসিকভাবে শক্তি জুগিয়েছে এবং একাকীত্ব দূর করেছে।
প্রাথমিকভাবে সপ্তাহে দুইবার ১৫ থেকে ২০ মিনিট রোগীদের থেরাপি ডগের সঙ্গে সময় কাটানোর সুযোগ দেওয়া হচ্ছে। চিকিৎসকরা বলছেন, এই কার্যক্রম এখনও পরীক্ষামূলক হলেও রোগীদের মানসিক স্বাস্থ্যে ইতিবাচক পরিবর্তন লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
শুধু রোগীরাই নয়, হাসপাতালের কর্মীরাও এই উদ্যোগে উপকৃত হচ্ছেন। দীর্ঘ কর্মঘণ্টার চাপ ও মানসিক ক্লান্তি কমাতে থেরাপি ডগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। গবেষণার অংশ হিসেবে রোগীদের শরীর থেকে নমুনা সংগ্রহ করে এর প্রভাব বিশ্লেষণ করা হচ্ছে।
সিএ/এমআর


