চুল পড়া বর্তমানে অনেকেরই একটি সাধারণ সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। নানা ধরনের শ্যাম্পু, সিরাম ও কসমেটিক পণ্য ব্যবহার করেও অনেক সময় কাঙ্ক্ষিত ফল পাওয়া যায় না। এমন অবস্থায় প্রাকৃতিক সমাধান হিসেবে রোজমেরি তেল বেশ কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। নিয়মিত ও সঠিকভাবে ব্যবহার করলে এই তেল চুলের গোড়া মজবুত করে এবং অতিরিক্ত চুল পড়া কমাতে সহায়তা করে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, রোজমেরি এসেনশিয়াল অয়েল খুবই শক্তিশালী হওয়ায় এটি সরাসরি ত্বকে ব্যবহার করা উচিত নয়। নারকেল তেল, বাদাম তেল অথবা অলিভ অয়েলের সঙ্গে ৩ থেকে ৫ ফোঁটা রোজমেরি তেল মিশিয়ে সপ্তাহে অন্তত দুই দিন মাথার ত্বকে ভালোভাবে ম্যাসাজ করলে রক্তসঞ্চালন বৃদ্ধি পায় এবং চুলের গোড়া শক্তিশালী হয়।
যাদের আলাদা করে তেল লাগানোর সময় নেই, তারা শ্যাম্পুর সঙ্গে রোজমেরি তেল মিশিয়েও ব্যবহার করতে পারেন। চুল ধোয়ার সময় হাতের তালুতে সামান্য শ্যাম্পু নিয়ে তাতে ২ থেকে ৩ ফোঁটা রোজমেরি তেল যোগ করে মাথার ত্বকে লাগালে চুল পরিষ্কার হওয়ার পাশাপাশি প্রয়োজনীয় পুষ্টিও পায়। এতে চুলের স্বাস্থ্য ধীরে ধীরে উন্নত হয়।
শুষ্ক ও প্রাণহীন চুলের জন্য অ্যালোভেরা ও রোজমেরি তেলের মাস্কও উপকারী। ১ থেকে ২ চা-চামচ তাজা অ্যালোভেরা জেলের সঙ্গে সামান্য রোজমেরি তেল মিশিয়ে চুলের গোড়া ও দৈর্ঘ্যে লাগাতে হবে। প্রায় ৩০ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেললে চুলে আর্দ্রতা ফিরে আসে এবং চুলের উজ্জ্বলতা বাড়ে।
বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, প্রাকৃতিক প্রতিকার পদ্ধতিতে ফল পেতে কিছুটা সময় লাগে। তাই নিয়মিত ও ধৈর্যের সঙ্গে এই পদ্ধতিগুলো অনুসরণ করলে ধীরে ধীরে চুল পড়া কমে এবং চুলের সামগ্রিক স্বাস্থ্য ভালো থাকে।
সিএ/এমআর


