বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের (স্কুল ও কলেজ) জনবলকাঠামো ও এমপিও নীতিমালা-২০২৫-এর মাপকাঠির ভিত্তিতে প্রাপ্ত আবেদনসমূহ বর্তমানে মূল্যায়নের পর্যায়ে রয়েছে।
মূল্যায়নের সময় এমপিওভুক্তির যোগ্যতা, আঞ্চলিক সাম্য এবং আনুষঙ্গিক বিষয় বিবেচনায় নিয়ে অগ্রাধিকার নির্ধারণ করা হচ্ছে। প্রাথমিকভাবে স্বয়ংক্রিয় সফটওয়্যারের মাধ্যমে প্রাপ্ত গ্রেডিং অনুযায়ী প্রথম পর্যায়ে বিভিন্ন ক্যাটাগরির ১ হাজার ৭১৯টি প্রতিষ্ঠানের আবেদন বিবেচনাযোগ্য হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে এবং সম্ভাব্য আর্থিক সংশ্লেষ নিরূপণ করা হয়েছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে উল্লিখিত প্রতিষ্ঠানের এমপিওভুক্তির বিষয়ে অর্থ বিভাগ ও অর্থ মন্ত্রণালয়ের সম্মতি চেয়ে পত্র পাঠানো হয়েছে।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ রোববার পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, প্রথম পর্যায়ে বিবেচনাযোগ্য প্রতিষ্ঠানগুলোর সম্ভাব্য সংখ্যা নিরূপণ হলেও সুনির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠানভিত্তিক যাচাই কার্যক্রম এখনও চলমান। আবেদনপত্রে দাখিলকৃত প্রমাণকসমূহ ভূমি মন্ত্রণালয়, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর, মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড এবং জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সংরক্ষিত তথ্য ও অনলাইন ডেটাবেসের সঙ্গে মিলিয়ে যাচাই করা হচ্ছে। প্রয়োজনে তথ্য সরেজমিনে যাচাই করা হবে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ‘বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের এমপিওভুক্তি প্রক্রিয়া স্বয়ংক্রিয় সফটওয়্যারের মাধ্যমে মূল্যায়ন এবং প্রযোজ্য ক্ষেত্রে তথ্য যাচাইয়ের মাধ্যমে বস্তুনিষ্ঠ ও স্বচ্ছভাবে সম্পন্ন করা হবে। বিভ্রান্তিকর বা অসত্য তথ্য/সংবাদ প্রচার না করে প্রক্রিয়ায় সহযোগিতা করার জন্য সবাইকে অনুরোধ করা হচ্ছে।’
এতে আরও জানানো হয়েছে, আবেদন অনুমোদনের ক্ষেত্রে কোনো আর্থিক সংশ্লেষ নেই। কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠী এমপিও অনুমোদন নিয়ে অনৈতিক আর্থিক লেনদেন বা ব্যক্তিগত যোগাযোগের চেষ্টা করলে বা এমপিও সংক্রান্ত অভিযোগ থাকলে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগকে হোয়াটসঅ্যাপ নম্বর +৮৮০ ১৩৩৯-৭৭৪৫২৮-এ অবহিত করার অনুরোধ করা হয়েছে।
বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের এমপিওভুক্তি একটি চলমান ও পর্যায়ক্রমিক প্রক্রিয়া। নীতিমালার আলোকে প্রতিষ্ঠানের যোগ্যতা, অঞ্চলভিত্তিক জনসংখ্যা, প্রতিষ্ঠানের ঘনত্ব এবং সরকারের আর্থিক সামর্থ্য থাকা সাপেক্ষে আবেদন প্রাপ্তির ভিত্তিতে কাজ চলমান থাকবে।
মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ নির্ধারিত সময়ে ৩ হাজার ৬১৫টি আবেদন গ্রহণ করেছে। এর মধ্যে নিম্নমাধ্যমিক পর্যায়ের ৮৫৯টি, মাধ্যমিক পর্যায়ের ১ হাজার ১৭০, উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের ৬৮৭, স্নাতক (পাস) পর্যায়ের ৪৪০, স্নাতক (সম্মান) পর্যায়ের ৪১৪ এবং স্নাতকোত্তর পর্যায়ের ৪৫টি প্রতিষ্ঠান অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
সূত্র: শিক্ষা মন্ত্রণালয়
সিএ/এসএ


